রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

প্রেগনেন্সি পরীক্ষায় ব্যাঙ!

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত : ১০:০১ এএম, ২৬ মে ২০১৯ রোববার

প্রেগনেন্সি পরীক্ষা জন্য এখন ইউরিন টেস্ট ও প্রেগনেন্সি স্ট্রিক খুবই জনপ্রিয় হলেও ১৯৩০ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত কিন্তু এ পরীক্ষায় ব্যাঙ ব্যবহার করা হতো। বিশেষ এক জাতের নখওয়ালা ব্যাঙটির নাম জেনোপস। এটি  মূলত আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির আশেপাশের দেশগুলোতে বেশি পাওয়া যেত। 

সেইসব এলাকায় অনেক বছর ধরেই শান্তিতে বসবাস করে আসছিলো জেনোপস নামের এই ব্যাঙ। তবে ১৯৩০ প্রথম ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ল্যান্সলট হগবেন এই ব্যাঙটি নিয়ে পরীক্ষা করেন। আর এরপরেই বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে দেন চিকিৎসা বিজ্ঞানে।

তিনি ব্যাঙটির শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে গর্ভবতী মাহিলাদের মূত্র ঢুকিয়ে দিলেন। অনেকটা দুর্ঘটনাবশতই, তিনি আবিষ্কার করে ফেললেন যে এই ব্যাঙের ভেতরে এমন প্রেগনেন্সি হরমোন ঢুকিয়ে দিলে সেটি ডিম পাড়তে শুরু করে। আর এরপর থেকেই প্রেগন্যন্সি পরীক্ষায় শুরু হয় ব্যাঙ এর ব্যবহার।

পরীক্ষাটি যেমন ছিল
নারী জেনোপস ব্যাঙের চামড়ার নিচে ইনজেকশনের মাধ্যমে গর্ভবতী নারীর মূত্র ঢুকিয়ে দেয়া হতো। ৫-১২ ঘন্টা পর দেখা হতো ব্যাঙটি ডিম পাড়া শুরু করেছে কিনা।ডিম পাড়লে নিশ্চিত হওয়া যেত যে ওই নারী গর্ভবতী। খুব নিখুঁতভাবেই পরীক্ষাগারে এই প্রেগনেন্সি টেস্ট করা হতো।