মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

ঢাকা দুই সিটির ৬০ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত : ১০:৪২ এএম, ১৩ আগস্ট ২০১৯ মঙ্গলবার

রাজধানীতে পুরোদমে চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ। এখন পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রায় ৬০ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। 
সোমবার বিকেলে ডিএনসিসির প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই ও ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য  জানিয়েছেন।

সরেজমিনে এদিন দুপুরের পর দুই সিটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কর্মীবাহিনী কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নিজস্ব আধুনিক বর্জ্যবাহী ট্রাক, ডাম্পার, পেলোডার, টায়ার ডোজার, প্রাইম মুভার, ট্রেইলর, এক্সকেভেটর ও চেইন ডোজার দিয়ে বর্জ্য অপসারণে কাজ চলছে।

এর আগে দুই সিটির মেয়র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে সোমবার দুপুর ২টায় রাজধানীর উত্তরা ১৫নং সেক্টরের ২নং ব্রিজের পশ্চিম পাশে বর্জ্য অপসারণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

এ সময় তিনি বলেন, অনেক ওয়ার্ডে আজ সন্ধ্যার মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ শেষ হয়ে যাবে। এরই মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টন বর্জ্য আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে নেয়া হয়েছে। কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের পর হাটের বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলে তিনি জানান। হাটের বর্জ্য থেকে যেন মশার বংশবিস্তার না হয়, সেজন্য বিশেষ সর্তকতা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।  

ডিএনসিসি মেয়র আরো বলেন, পশুর হাটের ইজারাদাররা হাটের বাঁশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নিলে এখন থেকে জরিমানা করা হবে। তাদের জামানতের টাকা থেকে এসব পরিষ্কার করা হবে।   

এদিকে দুই সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, বর্জ্য অপসারণের সুবিধার্থে দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১ হাজার ১৫১টি স্থানে পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। 

এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এ বছর ৫৪৯টি স্থান ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬০২টি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়।