ব্রেকিং:
করদাতাদের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত জেলে পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইঁদুর নিধনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসীদের হামলা কার্টুনে ভরা নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার পণ্যের মূল্য তালিকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ না থাকায় জরিমানা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ১৫ নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার স্বাস্থ্য সচেতনতায় মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হাসপাতালে নবজাতক রেখে মা উধাও সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও হলো না চাকরি, কাঁদলেন প্রার্থী ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! কোটি টাকার কারেন্ট জালে আগুন দেশের ‘অপরিচিত’ কিছু সমুদ্র সৈকত আপনার দেহে কি ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে? বুঝে নিন ১০টি লক্ষণে র‌্যাগিং বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আহ্বান ডিজিটাল মেলায় দেশি রোবট নিয়ে কৌতুহল জুতার বাজে গন্ধ দূর করুন সহজ একটি কৌশলে!

বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

৮০ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাংলাদেশে কয়েক বছরে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তবে দেশের সব অঞ্চলে দারিদ্র্য কমার হার সমান নয় বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উপস্থিতিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশের বরিশাল, ঢাকা ও সিলেটে দ্রুতগতিতে দারিদ্র কমেছে। চট্টগ্রামে দারিদ্র কমেছে পরিমিতভাবে। অন্যদিকে রাজশাহী ও খুলনায় পরিস্থিতির পরিবর্তন নেই এবং রংপুর বিভাগে দারিদ্র্য বেড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ মারিয়া ইউজেনিয়া জেননি  বলেন, ২০১০-১৬ সময়কালে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাপক উন্নতি করেছে। বিশেষ করে শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি এই উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০-২০১৬ সময়ে দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই হয়েছে গ্রামে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিতভাবে।  অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্যে শহরের লোকের অবস্থান প্রায় একই রয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সরকার দেশ থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে রীতিমতো যুদ্ধ চালাচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। বর্তমানে আমাদের হতদরিদ্রের সংখ্যা ১০ শতাংশের নীচে নেমে এসেছে। কিন্তু দারিদ্র্যসীমা এখনো ১৯-২০ শতাংশে ঘোরাঘুরি করছে। তবে এ হার নামিয়ে আনতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে এসেছে।

‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার দারিদ্র্য দূরীকরণে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি দারিদ্র্য প্রবণ নির্দিষ্ট এলাকা ও দরিদ্র গ্রুপকে টার্গেট করে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাই দারিদ্র্য দূরীকরণে আমরা দৃঢ় আশাবাদী।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সিয়া টেম্বন বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে প্রশংসনীয় অগ্রগতি করেছে। কিন্তু এখনো প্রতি চারজনের একজন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর