ব্রেকিং:
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য শিক্ষক চায় ইউজিসি মিন্নি-নয়ন বন্ডের গোপন বিয়ের বিস্তারিত তথ্য ফাঁস রিফান্ডের নামে ইভ্যালির প্রতারণা ফেসবুক লাইভে এসে বিকৃত উল্লাস করা সেই ৪ ধর্ষক রিমান্ডে চীনে আটকে পড়াদের ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হঠাৎ সাক্ষাতে ভোট চাইলেন আতিকুল, ফখরুল বললেন... বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস আসবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোলাইমানিকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী নিহত! ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম-সিলেটের নতুন রুট হচ্ছে নাসিরনগরে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান শ্রীঘর একাদশকে হারিয়ে নাসিরনগর সদর একাদশ বিজয়ী নবীনগরে জাতীয় জলাতঙ্ক রোগের টিকাদান অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জলাতঙ্ক নির্মূলে মানুষের পাশাপাশি কুকুরকেও ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে করোনা ভাইরাস নিয়ে আখাউড়া স্থলবন্দরে সতর্কতা অবলম্বন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষকের উপর হামলা, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সন্তানহারা মায়ের আকুতি জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু ৩০ জানুয়ারি বোর্ড পরীক্ষায় সফলতার বিকল্প নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ এক নারী ধরা আখাউড়ায় অর্ধশতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ

বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৫ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

১৪০২

৫ মার্চ, ১৯৭১: জেল ভেঙে মিছিল করেছিল কয়েদিরা

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০১৯  

৫মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় বায়তুল মোকাররম থেকে মশাল মিছিল বের করে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগ। এই দিনে পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা সমিতির শহীদ মিনারে শপথ নেয়ার কথা ছিল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এই যে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে ২২৫জন কয়েদী মিছিল করে শহীদ মিনারে চলে আসেন।

কারাগারের ফটক ভাঙার সময় প্রহরীর গুলিতে শহীদ হন ৭জন। আহত হয়েছিলেন ৩০জন। ওই দিন রাজশাহীতে সন্ধ্যা আইন জারি হয়।  টঙ্গীতে গুলিবর্ষণে হতাহত হয় ১৮জন।  চট্টগ্রামে নিহত হন ২২২জন, যশোরে মারা যান ১জন।

৫মার্চ সকাল ৯টায় তাজ জুট বেকিং শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মিল সংলগ্ন মাঠে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বটতলায় বাংলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্র জনসভা ও মিছিল হয়।

এদিন সকাল ১১টায় শহীদ মিনারে ছাত্র ইউনিয়নের গণজমাতেয় আর দুপুরে মসজিদে, মন্দিরে, গীর্জায় বাঙালির মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়। ওই দিন দুপুর ২টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগ লাঠি মিছিল বের করে। বিকেল ৪টায় লেখক সংঘের আলোচনা সভা ও পরে লেখকদের বিক্ষোভ মিছিল হয়।

এদিন; ছয়টা-দুইটা হরতাল ছিল। সরকারি-বেসরকারি সব অফিস দুপুর আড়াইটা থেকে চারটা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। রেশন দোকান, ব্যাংকও এই সময়ের মধ্যে খোলা রাখার নির্দেশ দেন তিনি। তবে ব্যাংক থেকে দেড় হাজার টাকার বেশি উত্তলোন করা নিষেধ ছিল।

জরুরি সার্ভিস হিসেবে হরতাল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল, ওষুধের দোকান, অ্যাম্বুলেন্স, ডাক্তারের গাড়ি, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের গাড়ি, পানিবাহী গাড়ি, টেলিফোন, দমকল, মেথর ও আবর্জনা ফেলা ট্রাক।

তথ্যসূত্র : একাত্তরের দিনগুলি : জাহানারা ইমাম। অসহযোগ আন্দোলন একাত্তর : রশীদ হায়দার।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর