ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

১৩০৮

৫ মার্চ, ১৯৭১: জেল ভেঙে মিছিল করেছিল কয়েদিরা

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০১৯  

৫মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় বায়তুল মোকাররম থেকে মশাল মিছিল বের করে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগ। এই দিনে পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা সমিতির শহীদ মিনারে শপথ নেয়ার কথা ছিল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এই যে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে ২২৫জন কয়েদী মিছিল করে শহীদ মিনারে চলে আসেন।

কারাগারের ফটক ভাঙার সময় প্রহরীর গুলিতে শহীদ হন ৭জন। আহত হয়েছিলেন ৩০জন। ওই দিন রাজশাহীতে সন্ধ্যা আইন জারি হয়।  টঙ্গীতে গুলিবর্ষণে হতাহত হয় ১৮জন।  চট্টগ্রামে নিহত হন ২২২জন, যশোরে মারা যান ১জন।

৫মার্চ সকাল ৯টায় তাজ জুট বেকিং শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মিল সংলগ্ন মাঠে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বটতলায় বাংলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্র জনসভা ও মিছিল হয়।

এদিন সকাল ১১টায় শহীদ মিনারে ছাত্র ইউনিয়নের গণজমাতেয় আর দুপুরে মসজিদে, মন্দিরে, গীর্জায় বাঙালির মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়। ওই দিন দুপুর ২টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগ লাঠি মিছিল বের করে। বিকেল ৪টায় লেখক সংঘের আলোচনা সভা ও পরে লেখকদের বিক্ষোভ মিছিল হয়।

এদিন; ছয়টা-দুইটা হরতাল ছিল। সরকারি-বেসরকারি সব অফিস দুপুর আড়াইটা থেকে চারটা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। রেশন দোকান, ব্যাংকও এই সময়ের মধ্যে খোলা রাখার নির্দেশ দেন তিনি। তবে ব্যাংক থেকে দেড় হাজার টাকার বেশি উত্তলোন করা নিষেধ ছিল।

জরুরি সার্ভিস হিসেবে হরতাল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল, ওষুধের দোকান, অ্যাম্বুলেন্স, ডাক্তারের গাড়ি, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের গাড়ি, পানিবাহী গাড়ি, টেলিফোন, দমকল, মেথর ও আবর্জনা ফেলা ট্রাক।

তথ্যসূত্র : একাত্তরের দিনগুলি : জাহানারা ইমাম। অসহযোগ আন্দোলন একাত্তর : রশীদ হায়দার।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর