ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১৯৮

৩০০ টাকায় দেশের সবচেয়ে ‘মনোমুগ্ধকর’ কটেজে

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

দুর্গম পথে ঘাম ঝরানো ট্যুর হিসেবে বান্দরবানের কেওক্রাডং জনপ্রিয় গন্তব্য। দেশের পঞ্চম উঁচু পাহাড় এটি। দু-তিন দিন হাতে সময় নিয়ে অসম্ভব সুন্দর কিছু মুহূর্ত আর দুর্দান্ত রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেরার জন্য প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক যান সেখানে।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ১৭২ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই শৃঙ্গটি ব্যক্তি মালিকানাধীন। মালিকের নাম লাল মুন থন হাওং। স্থানীয়ভাবে ওনি লালা বম নামে পরিচিত। এরা বম উপজাতীর। বর্তমানে লাল মুন জীবিত নেই, তার পরিবারের অন্যান্যরা সবকিছু দেখাশোনা করেন। পর্যটকদের কাছে এটা বম বাড়ি নামে পরিচিত।

চূড়ায় আগে থেকেই দুটি কটেজ ছিল তাদের। এ বছর সংযোজন করেছে মূল চূড়া থেকে একটু দূরে আরেকটা নতুন কটেজ। সবুজ ও লাল রঙের ছবিটা সেই কটেজেরই। এত উঁচু পাহাড়ে এরচেয়ে মনোমুগ্ধকর কটেজ দেশে আর আছে কি-না জানা নেই। দূর থেকে কটেজটির দিকে তাকালেই কেমন যেন মায়া জন্মে। ইচ্ছে জাগে এই কটেজে কয়েকটা জোছনা-রাত কাটানোর।

 

কেওক্রাডং

কেওক্রাডং

তবে এই কটেজে বিদ্যুৎ নেই, সোলারের সাহায্যে জ্বলে লাইট। বিছানা নেই, তোশক বিছিয়ে দেয়া হয় বাঁশের মাচার উপরে। কোনো রুমের সঙ্গেই সংযুক্ত বাথরুম নেই, টয়লেট কটেজের বাইরে। কোনো রুম সার্ভিস পাবেন না সারাদিন। প্রথমে একবার যাবতীয় জিনিস গুছায়ে দিয়ে চলে যাবে কর্তৃপক্ষ। কটেজে রুম জনপ্রতি ৩শ’ টাকা। সদস্য বেশি হলেও সমস্যা নেই, এক রুমে অনায়াসে ১০ জন থাকা যায়।

বম বাড়ি লাগোয়া একটা রেস্তোরাঁও আছে। সেখানে একদম প্রাকৃতিকভাবে রান্না করা নানা জাতের খাবার পাওয়া যায়। বেশি ঝাল দেয়া দেশি মুরগি, আলুভর্তা, পেঁপের সালাদ, লাউয়ের তরকারি, জুমের সবজিসহ আরও নানান রকমের পদ থাকে সেখানে। রোজকার ট্রাভেলারদের খাবার-দাবারের আয়োজন এখানেই হয়। বিভিন্ন প্যাকেজে ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে খাবার পাওয়া যায়।

 

কেওক্রাডংয়ের সেই কটেজ

কেওক্রাডংয়ের সেই কটেজ

বান্দরবান শহর থেকে কেওক্রাডং যেতে হলে প্রথমে যেতে হবে রুমা বাজার। তারপর রুমা বাজার থেকে গাইড নিয়ে বগালেক হয়ে কেওক্রাডং। একদিনে বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং পৌঁছানো একটু কষ্টকর হয়ে যাবে। সাধারণত পর্যটকরা প্রথমদিন বগালেকে এক রাত থেকে তার পরদিন সকালে কেওক্রাডং ভ্রমণে যায়। বগালেক দেখা ও সেখানে থাকা আপনার কেওক্রাডং ভ্রমণ আরো সুখময় করে তুলবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর