ব্রেকিং:
জুয়াড়ি ও সন্ত্রাসীরা লড়ছেন ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক পদে! বাড়ি লিখে না দেয়ায় স্ত্রীকে তিন তালাক বিয়ের গেটে বরের মাথা ফাটাল কনের লোকজন পোড়ানো হলো ১২ হাজার মিটার জাল আখাউড়ায় তিন নারী ছিনতাইকারী আটক মাদকেই মরণ বিএনপির, রিহ্যাবে অসংখ্য নেতাকর্মীরা বাবার জায়গা নেই ছেলের পাকা ঘরে দুই মুখের মাছ পাওয়া গেল লেকে, মুহূর্তেই ভাইরাল ‘বিয়ে’র দায়ে জেলে গেলেন বর-কনের বাবা চাকরির প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক, কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা গুগল-ফেসবুককে ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে তিন মোবাইল কোম্পানি প্রাথমিকে নিয়োগ হবে ৬১ হাজার শিক্ষক বিমানের যাত্রী সেবার মান বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘গাঙচিল’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন ২ নেতা! গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না: তথ্যমন্ত্রী গর্ভপাতকৃত সন্তান ব্যাগে ভরে থানায় প্রেমিকা, প্রেমিক উধাও দুর্নীতি নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করছে কমিশন ‘প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা’ শিগগিরই ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে

শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৪৭

১১ মাস পানির নিচে, এরপর হঠাৎ ভেসে উঠে যে গ্রাম

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯  

ভারতের পশ্চিমের প্রদেশ গোয়া একটি গ্রাম বছরের ১১ মাস থাকে পানির নিচে। কিন্তু কারদি নামে গ্রামটি এক মাসের জন্য যখন পানির উপর ভেসে উঠে তখন সেখানকার বাসিন্দারা আবারো তাদের ভিটে মাটিতে ফিরে আসে আর উৎযাপন করে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয় ১৯৮৬ সাল থেকেই এই গ্রামের বাসিন্দারা জানতেন যে গ্রামটির আর কোনো চিহ্ন থাকবে না। ওই সালেই প্রদেশটিতে প্রথম বাঁধ নির্মাণ করে এবং এর পরিণতিতে গ্রামটি সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়।  কিন্তু প্রতিবছর মে মাসে পানি সরে গেলে দেখা যায় গ্রামটিতে কি কি রয়ে গেছে। 

কাদামাটি, গাছের গুড়ি, ক্ষয়প্রাপ্ত ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে পড়া ধর্মীয় উপাসনালয়, গৃহস্থালির নানা জিনিস আর পরিত্যক্ত বিরান ভূমি। এইসব কিছু দেখতে পাওয়া যায় পানি সরে গেলে।

এই গ্রামের জমিতে ফলন বেশি হয় এমন কথা প্রচলন ছিল। তিন হাজার মানুষের বাস ছিল এখানে। ধান চাষ, আর গ্রামকে ঘিরে রাখতো নারকেল গাছ, ক্যাসুনাট, আম এবং কাঁঠাল গাছে। 

হিন্দু, মুসলমান এবং খ্রিষ্টান এই তিন ধর্মের মানুষ এখানে বসবাস করতো। কিন্তু দৃশ্যপট নাটকীয় ভাবে বদলে গেল যখন ১৯৬১ সালে গোয়া পর্তুগীজদের থেকে স্বাধীন হয়ে গেল। প্রথম মূখ্য মন্ত্রী গ্রামবাসীদের খবর দিলেন যে যদি প্রদেশের প্রথম এই বাঁধটি করা হয় তাহলে দক্ষিণ গোয়ার সবাই উপকৃত হবে।

এই গ্রামের সবাইকে পাশের গ্রামে সরিয়ে নেয়া হয় আর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় সেখানে অনেক সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে এটাও জানানো হয়। তাদের ভূমি এবং ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় তবে এই বাঁধ থেকে পানি ওই গ্রাম পর্যন্ত পৌছায়নি যেখানে তাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তারপরেও কারদি'র বাসিন্দারা অপেক্ষায় থাকেন মে মাসের।

যখন পানি নেমে যায় তখন তারা তাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রামে ফিরে যান, নিজের ঘরবাড়ি ধংসাবশেষ দেখেন, ভেঙ্গে পড়া প্রার্থণালয়ে প্রার্থনা করেন। আর স্মৃতিচারণ করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর