ব্রেকিং:
জমি-পেনশন হাতিয়ে বাবাকে ফেলে গেছে সন্তানেরা ফের বৃষ্টিতে ভেসে যাবে বাংলাদেশের স্বপ্ন? ভারত-পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ বিতর্ক মানুষকে সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী করে : শিক্ষামন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-দক্ষতা বিবেচনায় সেনা সদস্যদের পদোন্নতি নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগের লক্ষ্য উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়া ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বড় ভাইও ট্রেনের নিচে প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই শেষ ইচ্ছা পূরণ হল না ফিলিস্তিনি শিশুটির মুজিব কোটেই ছয় দফা! মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করল সৌদি আরব ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি’ আজ বিশ্ব বাবা দিবস কেন সুন্দর গন্ধ ভেসে আসে যুবতীর কবর থেকে…কেন? কয়েলের আগুনে ঘর, গরুসহ নগদ টাকা পুড়ে ছাই ! নবীনগরে ‘সেভ আওয়ার জেনারেশন’এর আত্মপ্রকাশ বাজেটে সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণে বরাদ্দ বেড়েছে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা পদ্মা সেতুসহ ১০ মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ ৩৯ হাজার কোটি টাকা

রোববার   ১৬ জুন ২০১৯   আষাঢ় ২ ১৪২৬   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

১৯

১১ মাস পানির নিচে, এরপর হঠাৎ ভেসে উঠে যে গ্রাম

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯  

ভারতের পশ্চিমের প্রদেশ গোয়া একটি গ্রাম বছরের ১১ মাস থাকে পানির নিচে। কিন্তু কারদি নামে গ্রামটি এক মাসের জন্য যখন পানির উপর ভেসে উঠে তখন সেখানকার বাসিন্দারা আবারো তাদের ভিটে মাটিতে ফিরে আসে আর উৎযাপন করে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয় ১৯৮৬ সাল থেকেই এই গ্রামের বাসিন্দারা জানতেন যে গ্রামটির আর কোনো চিহ্ন থাকবে না। ওই সালেই প্রদেশটিতে প্রথম বাঁধ নির্মাণ করে এবং এর পরিণতিতে গ্রামটি সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়।  কিন্তু প্রতিবছর মে মাসে পানি সরে গেলে দেখা যায় গ্রামটিতে কি কি রয়ে গেছে। 

কাদামাটি, গাছের গুড়ি, ক্ষয়প্রাপ্ত ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে পড়া ধর্মীয় উপাসনালয়, গৃহস্থালির নানা জিনিস আর পরিত্যক্ত বিরান ভূমি। এইসব কিছু দেখতে পাওয়া যায় পানি সরে গেলে।

এই গ্রামের জমিতে ফলন বেশি হয় এমন কথা প্রচলন ছিল। তিন হাজার মানুষের বাস ছিল এখানে। ধান চাষ, আর গ্রামকে ঘিরে রাখতো নারকেল গাছ, ক্যাসুনাট, আম এবং কাঁঠাল গাছে। 

হিন্দু, মুসলমান এবং খ্রিষ্টান এই তিন ধর্মের মানুষ এখানে বসবাস করতো। কিন্তু দৃশ্যপট নাটকীয় ভাবে বদলে গেল যখন ১৯৬১ সালে গোয়া পর্তুগীজদের থেকে স্বাধীন হয়ে গেল। প্রথম মূখ্য মন্ত্রী গ্রামবাসীদের খবর দিলেন যে যদি প্রদেশের প্রথম এই বাঁধটি করা হয় তাহলে দক্ষিণ গোয়ার সবাই উপকৃত হবে।

এই গ্রামের সবাইকে পাশের গ্রামে সরিয়ে নেয়া হয় আর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় সেখানে অনেক সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে এটাও জানানো হয়। তাদের ভূমি এবং ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় তবে এই বাঁধ থেকে পানি ওই গ্রাম পর্যন্ত পৌছায়নি যেখানে তাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তারপরেও কারদি'র বাসিন্দারা অপেক্ষায় থাকেন মে মাসের।

যখন পানি নেমে যায় তখন তারা তাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রামে ফিরে যান, নিজের ঘরবাড়ি ধংসাবশেষ দেখেন, ভেঙ্গে পড়া প্রার্থণালয়ে প্রার্থনা করেন। আর স্মৃতিচারণ করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া