ব্রেকিং:
টয়লেট চেপে রাখলে নারীদের যে ভয়ানক রোগ হয় কোরআন অবমাননা: সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট জানাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস গোলাপি বলের সাতকাহন মায়ের সঙ্গে তিন বছর ধরে শিকলবন্দী আওলাদ! প্রপার ভেন্যু পেলে ‘এই শীতেই’ বিয়ে: সৃজিত গতি বাড়াতে কম্পিউটারে প্রচলিত হার্ডডিস্কে সলিড স্টেট ড্রাইভ অজুর যতো দোয়া ও আমল ছয় রোগের সমাধান এক বীজে আশ্চর্য, গাছের গোড়ায় নয় ডগায় পেঁয়াজ! সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে জনগণ পিএসসিতে প্রক্সি, ১৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার আশুগঞ্জ থেকে সাত জেলায় সার সরবরাহ বন্ধ লবন নিয়ে তুলকালাম! পরিবহন ধর্মঘট থেকে মুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গুজব ছড়িয়ে লবনের মূল্য বৃদ্ধি লবনের গুজব প্রতিরোধে মাঠে ভ্রম্যমান আদালত লবণের দাম বাড়েনি বলে ইউএনও’র মাইকিং হারিয়ে যাওয়া শিশুকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৭৪৫

হাসপাতালে নবজাতক রেখে মা উধাও

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসাপাতালের প্রসূতি বিভাগ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই বিভাগের সামনে ফুটফুটে একটি শিশুকে কোলে নিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে এক নারীকে। এ সময় তিনি ফিডারে দুধ খাওয়াচ্ছেন। তবে তিনি শিশুটির মা নন, হাসপাতালের সেবিকা।

শিশুটির গায়ে নতুন জামা। তবে সেটি বাবা দেননি। দিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. শওকত হোসেন। শিশুটির সার্বিক দায়িত্বও নেন তিনি। খোঁজখবর রাখছেন নিয়মিত।

হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোতাহের হোসেন বলেন, রোববার রাতে আমার ডিউটি ছিল। জরুরি বিভাগে কাজ করছি। এ সময় এক নারীর চিৎকার শুনতে পাই। পেছনে দেখি ওই নারী গড়াগড়ি করছেন। তার সঙ্গে কেউ ছিলেন না। তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করি।

 

 

মোতাহের আরো বলেন, সাধারাণভাবেই ওই নারী সন্তান প্রসব করেন। রাতেই কিছু ওষুধ বাইরে থেকে কিনে এনে দেই। সকালে জানতে পারি ওই নারী সন্তানকে ফেলে চলে গেছেন।

শিশুটির দায়িত্বে থাকা কোহিনুর আক্তার জানান, শিশুটি তেমন কান্নাকাটি করে না। মাঝে মধ্যে হাসে।

হাসপাতালে জৈষ্ঠ সেবিকা স্মৃতি রানী রায় বলেন, শিশুটির শারীরিক কোনো সমস্যা নেই। যথাযথভাবে দেখভাল করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের কঠোর নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

সদর মডেল থানার এসআই নারায়ণ চন্দ্র দাস বলেন, নবজাতককে রেখে তার মা চলে যাওয়ার পর শিশুটির খোঁজখবর রাখছি। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেনের তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিনটেনডেন্ট) ডা. মো. শওকত হোসেন বলেন, শিশুটি আপাতত আমাদের তত্ত্বাবধানে। সমাজসেবা কার্যালয় ও সদর থানা পুলিশও এ বিষয়ে খোঁজ রাখছেন। শিশুটিকে কোথায় রাখা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর