ব্রেকিং:
শুদ্ধ বানান চর্চার একুশে ফেব্রুয়ারি দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিনব পন্থায় গাঁজা পাচার মনের আনন্দে চুল-দাড়ি কাটেন লিটন! কসবায় বিশেষ অবদানে একুশ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান আলেম সমাজ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্ট সংকটের অবসান আলোকিত শান্তির সরাইল গড়ার কারিগর ওসি সাহাদাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের সম্মেলন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে মামলা না করতে হত্যার হুমকী বিজয়নগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ দুর্নীতি মামলায় কারাগারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সিভিল সার্জন মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ইউপি সদস্যের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ বিডি ক্লিন তারুণ্যের শহীদ মিনার পরিচ্ছন্ন অভিযান সম্পন্ন ৮০৮ বছর পর এলো চোখ ধাঁধানো তারিখ প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আগে পড়তে হবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে! আমেরিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন ধর্ষণের শিকার তিন ছাত্রীকে দেয়া টিসি প্রত্যাহার ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা হবে: অর্থমন্ত্রী মৃত ভেবে ফেলে গেল শ্বশুরবাড়ির লোকজন, বেঁচে গেলেন যুবক! সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
  • বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪২৬

  • || ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

২৬২

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা কমেছে: নিসচা

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০১৯  

২০১৮ সালে দেশজুড়ে ৩ হাজার ১০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৪৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ত‌বে মৃত্যুর সংখ্যা ২০১৭ সা‌লের চাই‌তে ২৪৬ জন কমেছে। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠ‌নের এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এসব তথ্য তুলে ধরেন নিসচা সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন।

পরিসংখ্যানে বলা হয়, ২০১৮ সা‌লে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৩৯ জন মানুষের প্রাণ গে‌লেও ৭ হাজার ৪২৫ জন আহত হ‌য়ে‌ছেন। হাসপাতা‌লে ভ‌র্তির পর ৭৪০ জন মারা গে‌ছেন। নিহতদের মধ্যে গাড়িচাপায় ১৩৮৫ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫৮৫ জন, উল্টে গিয়ে ২৫৩ জন, খাদে পড়ে ১৩৩ জন এবং অন্যান্যভাবে ৬৬৩ জন নিহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত পরিবহনের মধ্যে রয়েছে- ৮৭৯টি বাস, ৭৯৩টি ট্রাক, ৬৩৪টি মোটরসাইকেল, কাভার্ডভ্যান ১১৯টি, মাইক্রোবাস ৬৭টি, নসিমন ৫০টি, প্রাইভেটকার ৪৭টি ও মাহেন্দ্র ৩৮টি।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, গত বছরের তুলনায় আহতদের সংখ্যা এবার ৬ দশমিক ৫১ ভাগ কম বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। অনেক ছোট ছোট দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করা হয় যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত না হওয়ায় পরিসংখ্যানে আসে না।

তিনি বলেন, ছয়টি জাতীয় পত্রিকা, অনলাইন ও টিভির স্ক্রল দেখে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। তবে অনেক আঞ্চলিক তথ্য অপ্রকাশিত রয়েছে, যা কোনও মিডিয়াতেই উঠে আসেনি। ইতোপূর্বে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন থেকে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলে নিয়মিত কোনও তথ্য প্রদান না করায় সরকারিভাবেও কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

জেলা ভিত্তিক সড়ক দুর্ঘটনার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে ঢাকা ও তার আশেপাশে ৩৩৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৩৪৬, চট্টগ্রামে ১৬৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৯৯, গাজীপুরে ১২৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১০৫, ময়মনসিংহে ১০৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৪৮, বগুড়ায় ১০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৬৩। এসব দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত লোকসংখ্যা, অপর্যাপ্ত রাস্তা, মোটরসাইকেল ও রিকশার আলাদা কোনও লেন না থাকা, শহরের মধ্যে পোশাক কারখানা ও পথচারিদের নিয়ম না মানার প্রবণতাকে দায়ী করা হয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সংগঠন সংবাদ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর