ব্রেকিং:
টয়লেট চেপে রাখলে নারীদের যে ভয়ানক রোগ হয় কোরআন অবমাননা: সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট জানাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস গোলাপি বলের সাতকাহন মায়ের সঙ্গে তিন বছর ধরে শিকলবন্দী আওলাদ! প্রপার ভেন্যু পেলে ‘এই শীতেই’ বিয়ে: সৃজিত গতি বাড়াতে কম্পিউটারে প্রচলিত হার্ডডিস্কে সলিড স্টেট ড্রাইভ অজুর যতো দোয়া ও আমল ছয় রোগের সমাধান এক বীজে আশ্চর্য, গাছের গোড়ায় নয় ডগায় পেঁয়াজ! সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে জনগণ পিএসসিতে প্রক্সি, ১৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার আশুগঞ্জ থেকে সাত জেলায় সার সরবরাহ বন্ধ লবন নিয়ে তুলকালাম! পরিবহন ধর্মঘট থেকে মুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গুজব ছড়িয়ে লবনের মূল্য বৃদ্ধি লবনের গুজব প্রতিরোধে মাঠে ভ্রম্যমান আদালত লবণের দাম বাড়েনি বলে ইউএনও’র মাইকিং হারিয়ে যাওয়া শিশুকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৫৮৪

সাংবাদিক ও পুলিশের অংশগ্রহনে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৯  

এ যেন হৃদয়ের টান। মানুষ মানুষের জন্য। একেবারেই আপন। বিভিন্ন সময়ে ধর্ম নিয়ে, ধর্মের জন্য কতই না কিছু ঘটছে দেশে, পুরো দুনিয়াই। এরই সঙ্গে হিংসা কিংবা ধর্মান্তকরণের যতসব খবরতো আছেই! সোমবার আখাউড়া পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্র রাধানগর শীল পাড়ায় সম্প্রীতি আর সম্মানের নজির গড়েছেন কিছু বন্ধু, বড় ভাই আর ছোট বোনরা।

সুবিধাবঞ্চিত এক পরিবারের কন্যার বিয়েতে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন হৃদয়বান’ এসব মানুষরা। কন্যার বাবা কানু শীল আর তার স্ত্রী লক্মী শীলের একমাত্র কন্যা সন্তান ঝুমা শীল। বিয়ে ঝুমা শীলের। সোমবার ভোর থেকেই বিয়ে বাড়িতে চলছিল নানান অনুষ্ঠান। তবে কিছুই জমজমাট  হয়ে উঠছিল না।  সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মধ্য আকাশে সূর্য আসতেই ঐ বিয়েকে রাঙিয়ে দিতে আখাউড়ার বেশ কয়েকজন বন্ধু কাজ শুরু করেন।

সুদূর ঢাকা থেকে দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার আখাউড়ার সন্তান শিপন হাবীব আখাউড়ায় আসেন। পরপর ফোন করতে থাকেন তার প্রিয় বন্ধু আখাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও এশিয়ান টিভির ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি নুরুন্নবী ভু্ইয়া, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ি নাজিরুল হক, ছোট বোন সমাজকর্মী সিনথিয়া ঘোষ মৌকে। মুর্হুতেই সবাই জড়ো হয় আখাউড়া থানার সামনে।

তখন দুপুর ১২টা। দলবলে যাওয়া হয় আখাউড়া থানার অফিসার ইনর্চাজ রসুল আহমদ নিজামীর অফিসে। বিয়ের পুরো বিষয়টি নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলে উঠলেন’ আপনাদের নিকট থেকে এ বিয়ের কথাগুলো শুনে খুবই ভালো লাগল, এমন একটি অসাধারন উদ্যোগে আমিও থাকতে চাই। কন্যার বাড়ি আমার থানা থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে। ঐ কন্যা আমার প্রতিবেশী, স্বজন। তার পরিচিতজনদের কাছ থেকেও সহায়তা গ্রহন করেন। তারপর এক এক করে কেনা হয় কন্যার গহনা, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও শাড়ী কাপড়। পাঠানো হয় কন্যার বাড়িতে। আনন্দে ভরে উঠে বিয়ে বাড়ি। বাজতে থাকে বিয়ের বাদ্যযন্ত্র।

রাতে মাগরিব নামাজ শেষে সবাই উপস্থিত হন কনের বাড়িতে। শুরু হয় বিয়ের বাজনা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে পুরো পরিবেশ যেন ভরে উঠে আনন্দে-উল্লাসে। কারও কপালে সিদুর কারও মাথায় টুপি, কারও গায়ে পাঞ্জাবী, কারও গায়ে ধূতি। সবাই মানুষ। ওটাই সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে দাড়ায় বিয়ে বাড়িটিতে।  এ সময় কনের বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয় স্বণালংকার, নগদ টাকাসহ বিয়ের প্রয়োজীয় দ্রব্যাদি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর