ব্রেকিং:
নবীনগর আসনে তৃনমূলে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ বাঁশের সাঁকোই ভরসা তাদের নবীনগর পৌরসভায় ৯০ প্রার্থীর ২১ জনের মনোনয়ন বাতিল! পণ্যসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নাসিরনগরে বার্ষিক পরিকল্পনা প্রনয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত কসবা বর্ডার বাজারে ক্রেতাদের ভিড়-টিকেট সংখ্যা বৃদ্ধির দাবী মটোরসাইকেল দূর্ঘটনায় রেফাতুল ইসলাম উদয় এর অকাল মৃত্যু সরাইলে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে সরাইল সদর ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন বিজয়নগরে গণধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিক মো:বাহারুল ইসলাম মোল্লাকে শুভেচ্ছা পাকিস্তানের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়া স্লোগান জয় বাংলার ইতিহাস বিজয়নগরে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত নবীনগরে শিশু ফাতেমার খুনি ধর্ষকের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন গুরুদাসপুরে বিনামূল্যে অপারেশন বারের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের এমসিকিউ দিতে হবে না প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া রেজওয়ান বস্ত্রখাতের রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ডিসি কাণ্ডে কঠোর অবস্থানে সরকার মন্ত্রীর ব্যানার ছিটকে পড়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার তরুণীর মৃত্যু

মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

৫০০

সরাইলে সংঘর্ষ থামাতে মাঠে নামলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০১৯  

গত আটদিনের ব্যবধানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে, অন্তত ছয়টি ছোটবড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষের ঘটনায় থানার ওসিসহ অন্তত দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দেয়াসহ ভুক্তভোগী লোকজন বাদী হয়ে থানায় এসব ঘটনায় একাধিক মামলা দেয়। আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে।

সর্বশেষ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’দলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বিকেলে সদরের কুট্টাপাড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সরাইলে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে বিশেষ করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

কারণ সম্পর্কে জানতে গেলে স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকে জানান, “তিনি (চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর) সরাইল উপজেলার একজন অভিভাবক। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি নানা উদ্যোগ নিবেন, এটাই শান্তি প্রিয় মানুষদের প্রত্যাশা। কিন্তু তিনি এসব ঘটনায় চোখে পড়ার মতো কার্যত তেমন কোনো ভূমিকা না রাখায় সাধারণ মানুষ আশাহত হয়েছেন।

অপরদিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের দাবি, ‘তিনি এখানকার দাঙ্গা-সংঘর্ষ নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দাঙ্গা প্রতিরোধে তিনি প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর সরাইলের দাঙ্গা-হাঙ্গামা-সংঘর্ষ প্রতিরোধে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার করে তিনি সরাইলকে দাঙ্গামুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে সরাইলের নোয়াগাঁও গ্রামে দু’দলের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে পুলিশের পাশাপাশি হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে কর্দমাক্ত মাঠে নেমে পড়েন চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর। এ সময় বিষয়টি এলাকার মানুষের অনেকেই নজর কাড়ে।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, এখানকার সংঘর্ষ নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা চেয়ারম্যান নিজেও কাজ করে যাচ্ছেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর