ব্রেকিং:
ব্রিটেনের প্রধান গির্জায় কোরআন তিলাওয়াতের বিরল ঘটনা স্মার্টফোনের বদলি হিসেবে ‘স্মার্ট গ্লাস’ আনছে ফেসবুক এডিআর বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক আওয়ামী লীগের নেতারা দুর্নীতি করলে ছাড় নয়: কাদের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতেমা ভাবির পরকীয়া দেখে ফেলায় জীবন দিতে হলো দেবরকে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার হুমকি ইরানের বেশি খাস জমি উদ্ধারকারী ডিসিকে পুরস্কৃত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী বকেয়া পরিশোধে সময় পাচ্ছে রবি-গ্রামীণফোন ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আন্তরিক সরকার: প্রধানমন্ত্রী আজ থেকে টানা তিন দিনের ছুটিতে আখাউড়া স্থল বন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থী সম্পৃক্তকরণ বিষয়ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সরাইলে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির জনসচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে জেঠাতো ভাইকে কুপিয়ে আহত বিজয়নগরে মৌলিক সাক্ষরতার উদ্বোতকরণ প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরন নাসিরনগরে ১৫১টি মন্ডবে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা সরাইলে বিদ্যালয় মাঠে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু নাসিরনগরে বৃত্তি পেল ৫১ মেধাবী শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ১৯ মুহররম ১৪৪১

৩১২

সরাইলে বধ্যভূমিতে উধাও হওয়া নামের ফলক, প্রশাসনের সাইনবোর্ড

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

সরাইলের উধাও হওয়া বধ্যভূমিতে প্রশাসনের সাইনবোর্ড স্থাপন । সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের পাশে দখলকৃত ওই জায়গায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গণহত্যার স্থানের স্বীকৃতির সাইনবোর্ডটি স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম মোসা।
উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মো. ইসমত আলী, ডেপুটি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন, কালিকচ্ছ ইউপি কমান্ডার রমেশ চন্দ্র দেব সহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা।
উল্ল্যেখ, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যার স্থান। এই স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হইল।’ অবশেষে সরাইলের ধর্মতীর্থ এলাকার ঐতিহাসিক বধ্যভূমিতে এমন লেখা সম্বলিত একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজন জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনী ও রাজাকাররা শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ছাড়াও স্থানটি নৌঘাট হওয়ায় নিয়মিতই অভিযান চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করত। ফলকে ৪৬ জন শহিদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকাযুক্ত ফলকটি লাগানো হয় । এদের মধ্যে চুন্টার সংখ্যালঘু সমাপ্রদায়ের এক পরিবারের ২২ জন হত্যার ঘটনাটি ছিল চাঞ্চল্যকর। এসব কারনে এ জায়গাটি বধ্যভূমি হিসাবে স্বীকৃত। বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রস্থেও এর দালিলিক প্রমাণসহ উল্লেখ করেছেন অনেক লেখক। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘদিন ধরে ওই বধ্যভূমিতে শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় একটা কিছু করার চেষ্টা করে আসছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এএসএম মোসা বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য লোকদের সহায়তায় মূল বধ্যভূমিটি চিহ্নিত করেছি। পরে সেখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর