ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

১০৬

সততার পুরস্কার পেলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ১৫ কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০১৯  

সততার পুরস্কার পেয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ১৫ কর্মকর্তা। কখনো দুর্নীতি করেননি, ইচ্ছে করে ফাইল আটকে রাখেননি, কাজের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ থেকেছেন এমন ১৫ কর্মকর্তাকে এক মাসের বেতন সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার দিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে তাদের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ সনদও দেয়া হয়।

রোববার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মিলনায়তনে ‘বার্ষিক কর্মসম্পদান চুক্তি ২০১৯-২০ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান’-এ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছাসহ পুরস্কার নেন তারা।

সততার পুরস্কার পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কাসেম, কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম প্রধান মনজুরুল আনোয়ার, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের যুগ্ম প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ, পরিকল্পনা বিভাগের উপ সচিব ড. উত্তম কুমার দাশ, কার্যক্রম বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান সাবিনা রওশন, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান শিমুল সেন, শিল্প ও শক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান জালাল হাবিবুর রহমান।

এছাড়া পুরস্কার পেয়েছেন ভৌত অবকাঠামো বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান নাজমুল হাসান, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর রাসেল হাওলাদার, পরিকল্পনা বিভাগের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর রীতা রানী মণ্ডল, কার্যক্রম বিভাগের ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর জুনাইদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের অফিস সহায়ক মিজানুর রহমান সেরনিয়াবাদ, কৃষি পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের অফিস সহায়ক বেগম আলেখাঁ আক্তার, শিল্প ও শক্তি বিভাগের অফিস সহায়ক মাসুদুর রহমান ও ভৌত অবকাঠামো বিভাগের অফিস সহায়ক নাসির উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সব কাজে শুদ্ধাচার থাকতে হবে। সরকারের নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে, আমরা সততার সঙ্গে কাজ করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের সামনে যেতে হবে। ভয়ের কিছু নেই। জনগণের জন্য কাজ করতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা সময় অপচয় করবেন না। সময় অপচয় করলে এটা ফিরে পাবো না। আমাদের সবাইকে সৎভাবে কাজ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হবে।

সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত কর্মকর্তা বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব নূরুল আমিন বলেন, আমরা নানা বিষয় চুলচেরা বিশ্লেষণ করেই সৎ কর্মকর্তাদের পুরস্কার দিয়েছি। এর আগে এসব কর্মকর্তাদের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এক সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তখন বিদেশে গেলে মুখ দেখাতে পারতাম না। এখন আমাদের বাংলাদেশ আর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয় না। সরকার কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে, ঋণ দিচ্ছে গাড়ি ও বাড়ি কেনার জন্যও। এছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রয়েছে নানা সুযোগ-সুবিধা। সুতরাং, দুর্নীতি করার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
 
এ উদ্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ধীরে ধীরে দুর্নীতি কমিয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিকল্পনা সচিব।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর