ব্রেকিং:
ট্রেন দুর্ঘটনার সাহসী সেই পাঁচ যুবক সন্তানের মা হলেন সেই প্রতিবন্ধী ধর্ষিতা পাল্টে গেছে সরাইল বিশ্বরোড মোড়ের দৃশ্যপট! নিয়মিত হাঁটুন সুস্থ থাকুন! ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে কাতারে দোয়া মাহফিল হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন আমি জীবিত আছি, আমাকে হেল্প করুন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ট্রেন দুর্ঘটনার আসল কারণ ৪০ জনকে তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদ ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুর দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী ধান কাটার ধুম পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধের পাঁচ উপায় আর্থিক লেনদেন করা যাবে ফেসবুকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হচ্ছেন ৪৮ জন নারীর মন জয় করুন এই কৌশলে তাওবার ৬ উপকারিতা সাকিব না থাকায় ভারতীয় সিকিউরিটি গার্ডের আফসোস ফোকফেস্টের পর্দা উঠছে আজ সমুদ্রের জলে ভেসে এলো ১০০০ কেজি কোকেন

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৬৫০

শতবর্ষী মায়ের বসবাস টয়লেটে

প্রকাশিত: ২১ জুন ২০১৯  

বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন নছিমন বেওয়া। লাঠিতে ভর দিয়ে কোনো রকমে হাটেন। বয়স প্রায় একশ’র কাছাকাছি। ছেলেমেয়ে থাকার পরও স্বামী হারা এই বৃদ্ধার মাথা গোঁজার জায়গা নেই। তাই নিদারুণ কষ্টে বছরের পর বছর টয়লেটেই তার রাত কাটছে।

রংপুর মহানগরীর নিউ জুম্মাপাড়া কলোনির নছিমন বেওয়ার টয়লেটই এখন ঠিকানা। সেখানে আছে ভাঙা একটি চৌকি, চট আর কিছু পানির বোতল। টয়লেটের দুর্গন্ধের সঙ্গে রাতে অসহ্য গরম আর মশার কামড় এই বৃদ্ধার এখন নিত্যসঙ্গী।

কোনো রকমে রাত পার হলেই লাঠিতে ভর করে টয়লেট থেকে বেরিয়ে পড়েন তিনি। কখনো রাস্তার ওপর নতুবা ড্রেনের শ্লোপের ওপর বসে শুয়ে থাকেন। এমন কষ্টের দৃশ্য সন্তানদের চোখে না পড়লেও গ্রামের মানুষ ঠিকই উপলব্ধি করতে পারেন। তাই স্থানীয়দের সাহায্য সহযোগিতায় খাবার জুটে তার মুখে।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বুকভরা কষ্টগুলো চিৎকার করে বলতে চাইলেও বয়সের ভারে বন্ধ হয়ে গেছে তার আওয়াজ। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকেন।

জানা গেছে, বৃদ্ধা নছিমনের স্বামী মারা যাবার পর থেকে সন্তানদের অনাদরে অন্যের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে ভিক্ষা করতেন। এক সময় বড় ছেলে জয়নাল মিয়ার মায়ের প্রতি মায়া হয়। মায়ের জন্য কলোনির ভেতরে সিটি কর্পোরেশন থেকে তৈরি করা পাবলিক টয়লেটের এক কোণায় থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এরপর থেকে ওই টয়লেটেই বৃদ্ধা নছিমনের ঠিকানা।

এ বিষয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর মোছা. হাসনা বানু বলেন, ব্যক্তিগতভাবে ওই বৃদ্ধাকে প্রায়ই আমি টাকা ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করি। তার ছেলে সন্তানরা থাকার পরও টয়লেটে বসবাস খুবই দুঃখজনক। সিটি কর্পোরেশন থেকে তার জন্য বয়স্ক ভাতাসহ অন্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করব।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া