ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

৬৫

লকডাউনে ঘরে রাখা দায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষদের

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২০  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১১ এপ্রিল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই লকডাউন না মেনে রাস্তায় বের হচ্ছে মানুষজন। এতে করে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৬। এর মধ্যে মারা গেছেন দুইজন। গত বৃহস্পতিবার সমগ্র বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

লকডাউন ও সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণার পরও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়াই বের হচ্ছেন মানুষজন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও হাপিয়ে উঠছেন মানুষকে ঘরে রাখার চেষ্টা করে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের প্রধান সড়কগুলোতে মানুষের অবাধ চলাচল দেখা গেছে। অন্যদিনের মতোই শহরে রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ নিরাপত্তা চৌকি বসিয়ে যান চলাচলে বাধা দিলেও অনেকেই নানা অজুহাতে সেটি মানছেন না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দফতর) আবু সাঈদ বলেন, করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তাদেরকে ঘরে রাখার জন্য আমরা এখনও মাইকিং করছি। জনপ্রতিনিধিদের দিয়েও মানুষকে বুঝিয়ে ঘরে রাখার চেষ্টা করছি। এছাড়াও সাধারণ কোনো শারীরিক সমস্যা হলে যেন ঘরে বসেই স্বাস্থ্য সেবা পান সেটির ব্যবস্থাও আমরা করছি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া