ব্রেকিং:
সবজি বেচেই চলে সংসার প্রশাসনের তৎপরতায় বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল তিন স্কুলছাত্রী ৫০০০ মিটার দৌঁড়ে বিশ্ব রেকর্ড ৯৬ বছরের বৃদ্ধের! আর্থিক সহায়তা পেতেই ট্রাম্পের কাছে মিথ্যাচার করলো প্রিয়া সাহা! কারাগারে মিন্নি মিয়ানমারের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পর্যাপ্ত নয়: জাতিসংঘ বদলি খেলোয়াড় নামানোর নতুন নিয়ম চালু আইসিসির বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান বাণিজ্যে নবযাত্রার সূচনা জাতীয় মৎস্য পুরস্কারে স্বর্ণপদক পেল নৌবাহিনী ওষুধের পাতায় মেয়াদ-মূল্য স্পষ্ট থাকতে হবে: হাইকোর্ট জিম্বাবুয়েকে বহিষ্কার করল আইসিসি রোহিঙ্গা নির্যাতন: আইসিসি’র অনুমতি পেলে তদন্তে নামবে দল ক্রিকইনফোর একাদশেও সাকিব, নেই কোহলি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মিন্নি জেলা হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করার নির্দেশ জঙ্গি-চরমপন্থীদের আবির্ভাব যেন না হয়: ডিসিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাছ উৎপাদনে আমরা প্রথম হতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ রিশান ফরাজী গ্রেফতার ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের স্বজনদের হজ করাবে সৌদি

শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

৫০১

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারকে বোঝাবে চীন: লি কেকিয়াং

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০১৯  

দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুঁজে পেতে চীন মিয়ানমারকে বুঝাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। সেই সঙ্গে তিনি একমত হয়েছেন, জোরপূর্ব বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোর মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়াই হলো এ সমস্যার সমাধান।

বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ কথা বলেন লি কেকিয়াং।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক। 

তিনি বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তারা চেষ্টা করবেন যাতে দুই দেশ (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার) এ সমস্যার একটি সমাধান খুঁজে পায়। চীন এ বিষয়ে মিয়ানমারকে বুঝাবে। 

মানবিক সাহায্যের জন্য শেখ হাসিনার প্রশংসা করে লি কেকিয়াং বলেন, চীন বুঝতে পারছে এটি বাংলাদেশের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ।

চীনা প্রধানমন্ত্রী জানান, তারা মনে করেন এ সংকট দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়ে চীনের বন্ধু হওয়ায় আগেও চীন এ বিষয়ে সাহায্য করেছে। সুতরাং দুই দেশকে সংলাপে বসে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনার শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা খুব অপরিহার্য। কিন্তু মিয়ানমারে নিজেদের বাড়ি থেকে রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলেছে।

দিন দিন রোহিঙ্গা সংকট বড় হয়ে উঠবে জানিয়ে তিনি বলেন, এটা দ্রুত সমাধান করা দরকার। রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে ফেরা হলো এ সংকটের সমাধান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই ও সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু এসব বাস্তুচ্যুত মানুষ মিয়ানমারে ফিরতে চান না। কারণ তারা ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের ভয় দূর করে নিরাপত্তা, সম্মান ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের ভূমি ও সম্পদ ফিরে পেতে মিয়ানমারে সহায়ক পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে চীন ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক মো. নজরুল ইসলাম এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর