ব্রেকিং:
টয়লেট চেপে রাখলে নারীদের যে ভয়ানক রোগ হয় কোরআন অবমাননা: সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট জানাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস গোলাপি বলের সাতকাহন মায়ের সঙ্গে তিন বছর ধরে শিকলবন্দী আওলাদ! প্রপার ভেন্যু পেলে ‘এই শীতেই’ বিয়ে: সৃজিত গতি বাড়াতে কম্পিউটারে প্রচলিত হার্ডডিস্কে সলিড স্টেট ড্রাইভ অজুর যতো দোয়া ও আমল ছয় রোগের সমাধান এক বীজে আশ্চর্য, গাছের গোড়ায় নয় ডগায় পেঁয়াজ! সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে জনগণ পিএসসিতে প্রক্সি, ১৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার আশুগঞ্জ থেকে সাত জেলায় সার সরবরাহ বন্ধ লবন নিয়ে তুলকালাম! পরিবহন ধর্মঘট থেকে মুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গুজব ছড়িয়ে লবনের মূল্য বৃদ্ধি লবনের গুজব প্রতিরোধে মাঠে ভ্রম্যমান আদালত লবণের দাম বাড়েনি বলে ইউএনও’র মাইকিং হারিয়ে যাওয়া শিশুকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

রোহিঙ্গারা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০১৯  

রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, কক্সবাজার তাদের কারণে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে এবং আমাদের প্রতিবেশ ও জীব-বৈচিত্রের ক্ষতি করছে।

বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে পরিবেশ ও সমুদ্র বিষয়ক দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসস'র

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতি শিগগিরই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা বৈশ্বিক নেতৃত্ব বিশেষত দক্ষিণ এশীয় অংশীদারদের দায়িত্ব। এটা মিয়ানমার ও তার নাগরিক রোহিঙ্গাদের মধ্যকার ইস্যু। তাদেরকেই এর সমাধান করতে হবে। 

তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে নেয়াই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।

বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলায় বাস্তুচ্যুত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এদের অধিকাংশই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে পালিয়ে এসেছে। জাতিসংঘ একে ‘জাতিগত নির্মূলের উদাহরণ’ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিগত ১০ বছর ধরে অব্যাহতভাবে উন্নতি করেই যাচ্ছে। আর এই অলৌকিক উন্নয়নের একটি রহস্য রয়েছে। আমি একে ‘বাংলাদেশ সিক্রেট, শেখ হাসিনা মিরাকল’ বলে অভিহিত করি।’

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এর জিডিপি’র এক শতাংশের বেশি ব্যয় করছে।

মোমেন বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এসডিজিএস) সম্পদের স্বক্ষমতা ও দৃঢ় রাজনৈতিক প্রত্যয়ের উপর নির্ভরশীল। এসএসিইপি আওতায় অনেক ক্ষেত্রেই সহযোগিতা সম্ভব উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এসডিজিএস ও প্যারিস ক্লাইমেট অ্যাগ্রিমেন্ট এর সফল বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, ভারতের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী প্রকাশ কেশভ জাভাদেকার, মালদ্বীপের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আহমেদ মুজতবা ও এসএসিইপি মহাপরিচালক আবাস বশির।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর