ব্রেকিং:
তিন বছরে বাংলাদেশের সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা আটটি বেড়ে এখন ১১৪টি পরিবর্তন ছাড়াই ১৫ সদস্যে ভরসা বাংলাদেশের দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ৮০ বছরের মধ্যেই সমুদ্রে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশ! দেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছে সরকার: পাটমন্ত্রী কোরআন অনুবাদ করতে গিয়ে মুসলমান হলেন ধর্ম যাজক ‘জাল’ প্রতিরোধে ১০০০ টাকার নতুন নোট নতুন চমক, দেশে চালু হচ্ছে বেকার ভাতা লক্ষ্যমাত্রার বেশি ধান কিনতে সুপারিশ শেখ হাসিনাকে বরণের অপেক্ষায় জাপান: রাষ্ট্রদূত নিরাপদ ঈদযাত্রায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির ২০ প্রস্তাব চাল আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে: অর্থমন্ত্রী সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ২৮ মে কবুতর দিয়ে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবা পাচার বাড়ল মোবাইল ব‌্যাংকিংয়ে লেনদেন সীমা শিগগিরই যোগ্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে একীভূত হচ্ছে ঘোড়াশাল ও পলাশ সার কারখানা শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিতে পাস ১ লাখ ৫২ হাজার দেশের প্রথম মহিলা কারাগারে স্থানান্তরিত হচ্ছেন খালেদা জিয়া! ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে: কাদের

বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯   জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৬   ১৮ রমজান ১৪৪০

সর্বশেষ:
আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা জরিপের ফল আজ জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী তরুণীকে খুশি করতে শিক্ষা উপমন্ত্রী সেজে ধরা যুবক সারেংয়ের দক্ষতায় অল্পের জন্য বাঁচলো এমভি গ্লোরি অব শ্রীনগর-২ লঞ্চের ২৫০ যাত্রীর প্রাণ।
৩৮

রোজার ইতিহাস

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০১৯  

রোজা শুধু ইসলামেরই ফরজ বিধান নয়। ইসলামেরও আগে অনেক নবী (আ.) এর উম্মতদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছিল। ইসলামপূর্ব সময়ে রোজার ধরন ছিল বিভিন্ন প্রকৃতির।

রোজা রাখার পদ্ধতির ভিন্নতা ছাড়াও ফরজ রোজার সংখ্যাও বিভিন্ন রকম ছিল। প্রাথমিক অবস্হায় উম্মদে মুহাম্মাদীর ওপরও কেবলমাত্র আশুরার রোজা ফরজ ছিল। রমজানের রোজার ফরজ বিধান আসার পর আশুরার রোজা ফরজ হওয়ার হুকুম রহিত হয়ে যায়। (মাআরিফুস সুনান ৫/৩২৩)

উল্লেখ্য, রোজা ফরজ হয় হিজরতের দেড় বৎসর পর, ১০ শাবানে। রোজা ফরজ হওয়ার পর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯টি রমজান মাস পেয়েছিলেন। রোজার বিধান পালনে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। স্রষ্টা ও ক্ষুদ্র সৃষ্টি এবং মহা মুনিব ও সাধারণ মানুষের সম্পর্ক। এ সম্পর্কের সুস্পষ্ট  হলো,  সর্বময়ক্ষমতার অধিকারী বিশ্ব প্রতিপালক স্রষ্টার যে কোনো নির্দেশ পালন করতে মানুষ সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। ওই নির্দেশের হেকমত (তাৎপর্য) তার বুঝে আসুক আর নাই আসুক। 

সুতরাং মহান আল্লাহ তায়ালা যত প্রকার ইবাদতের নির্দেশ দেবেন সেগুলোর কোনো কারণ বা তাৎপর্যের পেছনে না পড়ে তৎক্ষণাৎ নতশিরে তা মেনে নেয়াই হচ্ছে বান্দার দায়িত্ব। বলাবাহুল্য শরীয়ত নির্দেশিত কোনো ইবাদতই তাৎপর্যহীন বা যুক্তিবিরোধী নয়। তবে সব কিছুর যুক্তি বা হেকমতই যে বান্দার জানা থাকবে বা বান্দার জ্ঞান-বুদ্ধি তাকে স্পর্শ করতে পারবে এমনটি ভাবা ঠিক নয়। কারণ আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দান করেছেন।

ইরশাদ হয়েছে- ‘তোমাদেরকে অতি সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।’ (সূরা আলে ইমরান ৮৫)

তবে বাহ্যিকভাবে ও কোরআন হাদীসের ভাষ্যমতে ‘আল্লাহ তায়ালা মানুষের স্বভাবে যে ফেরেশতা সুলভ বৈশিষ্ট্য চরিত্র গচ্ছিত রেখেছেন, তার উন্নতি ও উৎকর্ষসাধন এবং নফস ও প্রবৃত্তির দমন ও নিবৃত্তির অন্যতম মাধ্যম হলো রোজা। কানা’আত, আত্মশুদ্ধি, সবর ও শোকর, তাকওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যের উন্নতি ও বিকাশে রোজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উপরন্তু রোজার মাধ্যমে মানুষ উদার ও প্রবৃত্তির জৈবিক তাড়না হতে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব জগৎ তথা আপন স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্হাপনে সক্ষম হয়।

তাছাড়া নিরেট চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বছরের কিছু দিন অবশ্যই পানাহার বর্জন করা উচিত। এটি স্বাস্হ্যের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই হিন্দু-খ্রষ্টান সকল ধর্মেই রোজার মতো উপবাস করার প্রচলন রয়েছে। (যদিও ইসলামের রোজার সঙ্গে সেসব উপবাসের পদ্ধতিগত বহু পার্থ্যে রয়েছে)। (আরকানে আরবাআ : ২৬৪)

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া