ব্রেকিং:
বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে রয়েছে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী হুজুর সেজে ধর্ষককে ধরলেন পুলিশ কর্মকর্তা বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩ ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের রমণীদের পছন্দ বাংলাদেশি ছেলে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় মিয়ানমারের তদন্ত দল ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ টাইগারদের হেড কোচ হলেন রাসেল ডমিঙ্গো ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’ স্মার্টকার্ড পাবে ছয় বছরের শিশুও! হাঁসে হাসি-খুশির সংসার ‘বিশ্ববন্ধু’ উপাধি পেলেন বঙ্গবন্ধু ল্যান্ড ফোনের মাসিক লাইন রেন্ট বাতিল প্রসব বেদনা নিয়েই ছয় কিলোমিটার হাঁটলেন কাশ্মীরি মা সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিচ্ছে মিয়ানমার ‘ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি’ শনিবার থেকে কাঁচা চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা আখাউড়ায় তিতাস ব্রিজে দর্শনার্থীদের ভীড় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছুটি শেষে বাসায় ফিরে যা করবেন ঈদ আনন্দে বিনোদন কেন্দ্রগুলো মুখরিত

রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

১৫

রাসূল (সা.) এর ঘোষণায় জমজমের পানি পানের বিশেষ মুহূর্ত

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০১৯  

পবিত্র হজ ও ওমরাহ আদায়কারীর জন্য বিশেষভাবে এবং পৃথিবীর সকল মুসলমানের জন্য সাধারণভাবে জমজমের পানি পান করা মুস্তাহাব। সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে জমজম থেকে পানি পান করেছেন। (সহিহ বোখারি: ১৫৫৬)।

হজ ও ওমরার ফজিলত ও বরকতপূর্ণ কাজের মধ্যে একটি হলো জমজমের পানি পান করা। এ পানি পানে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত ও বরকত।

জমজমের পানি পানের বিশেষ একটি মুহূর্তের ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হজ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য যে সময়টিতে এ পানি পান করা বরকতময়।

হজ ও ওমরা পালনকারীরা যখন পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ সম্পন্ন করবে তখন তারা মাকামে ইব্রাহিমে ২ রাকাআত নামাজ পড়বে। তার পরই পান করবে জমেজমের এ বরকতময় পানি। হাদিসে এসেছে-

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তাওয়াফ শেষে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করে মাতআফ (তাওয়াফের স্থান) থেকে বেরিয়ে পাশেই জমজম কুপ এলাকায় প্রবেশ করবে এবং সেখানে বিসমিল্লাহ বলে দাঁড়িয়ে জমজমের পানি পান করবে। আর (হাতের কোষে নিয়ে) কিছু পানি মাথায় দেবে।’ (বুখারি-মুসলিম, মিশকাত ও মুসনাদে আহমদ)।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের মধ্যে সেরা পানি হলো- জমজমের পানি। এর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিকর খাদ্য (উপাদান) এবং রোগ হতে আরোগ্য (লাভের উপাদান)।’ (তাবারানি)

অন্য হাদিসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় এটি বরকতময় (পানি)।’ (মুসনাদে আহমাদ, মুসলিম)।

জমজমের পানি পানে যেকোনো রোগ থেকে আরোগ্য লাভের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবী। হাদিসে এসেছে-

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘এই পানি কোনো রোগ থেকে আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে পান করলে তোমাকে আল্লাহ আরোগ দান করবেন।’ (দারাকুতনি, মুসতাদরেকে হাকেম, তারগিব)।

জমজমের পানি সাধারণ কোনো পানি নয়, এটার হলো মহান আল্লাহর একান্ত অনুগ্রহ থেকে সৃষ্ট এক অলৌকিক কুয়ার পানি। যা তিনি শিশু ইসমাইল আলাইহিস সালামের পদতলে পদাঘাতের ফলে দান করেছেন।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা জমজমের পানি পানের মাধ্যমে হাদিসে ঘোষিত বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। শারীরিক সব অসুস্থতা থেকে সুস্থতা দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া