ব্রেকিং:
মাদক সম্রাট বাদল ডাক্তার আটক পাইকপাড়া ও বুল্লা গ্রামের বিরোধের শান্তিপূর্ণ মিমাংসা স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনকালে সঙ্গী কুখ্যাত রাজাকারপুত্র আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা চাইলেন ওসি ইউপি সদস্য সহ ৭ জুয়ারী গ্রেফতার ব্যাডমন্টিন টুর্নামেন্টে দর্শকদের উপচে পড়া ভীড় বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় সম্মিলিতভাবে পালন করতে হবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত প্রেমিককে না পেয়ে প্রেমিকার আত্মহত্যা সবজি গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত কৃষ্ণনগর চোলাই মদ বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড নিয়মের ‘গ্যাঁড়াকলে’ তালিকাভুক্তহীন ১৭ মুক্তিযোদ্ধা ‘ডায়াবেটিস’ তাই ভাত ছেড়ে রুটি? বিপদ আরো বাড়ছে মিথিলা-ফাহমির ছবি ইন্টারনেট থেকে সরানোর নির্দেশ গবাদি পশুর প্রজননের খবর জানাবে বাংলাদেশি ছাত্রের তৈরি যন্ত্র অ্যাপিকটা বিজয়ীদের সংবর্ধনা দিল বেসিস ইসলামে সড়ক ও পরিবহন নীতিমালা জমকালো আয়োজনে শেষ হলো বিপিএলের উদ্বোধন শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে: কাদের পঙ্গু-বয়স্কদের জন্য ইউএনওর ‘কলিং বেল’ সেবা

মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

৭৩

রাসূল (সা.) এর ঘোষণায় জমজমের পানি পানের বিশেষ মুহূর্ত

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০১৯  

পবিত্র হজ ও ওমরাহ আদায়কারীর জন্য বিশেষভাবে এবং পৃথিবীর সকল মুসলমানের জন্য সাধারণভাবে জমজমের পানি পান করা মুস্তাহাব। সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে জমজম থেকে পানি পান করেছেন। (সহিহ বোখারি: ১৫৫৬)।

হজ ও ওমরার ফজিলত ও বরকতপূর্ণ কাজের মধ্যে একটি হলো জমজমের পানি পান করা। এ পানি পানে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত ও বরকত।

জমজমের পানি পানের বিশেষ একটি মুহূর্তের ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হজ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য যে সময়টিতে এ পানি পান করা বরকতময়।

হজ ও ওমরা পালনকারীরা যখন পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ সম্পন্ন করবে তখন তারা মাকামে ইব্রাহিমে ২ রাকাআত নামাজ পড়বে। তার পরই পান করবে জমেজমের এ বরকতময় পানি। হাদিসে এসেছে-

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তাওয়াফ শেষে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করে মাতআফ (তাওয়াফের স্থান) থেকে বেরিয়ে পাশেই জমজম কুপ এলাকায় প্রবেশ করবে এবং সেখানে বিসমিল্লাহ বলে দাঁড়িয়ে জমজমের পানি পান করবে। আর (হাতের কোষে নিয়ে) কিছু পানি মাথায় দেবে।’ (বুখারি-মুসলিম, মিশকাত ও মুসনাদে আহমদ)।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের মধ্যে সেরা পানি হলো- জমজমের পানি। এর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিকর খাদ্য (উপাদান) এবং রোগ হতে আরোগ্য (লাভের উপাদান)।’ (তাবারানি)

অন্য হাদিসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় এটি বরকতময় (পানি)।’ (মুসনাদে আহমাদ, মুসলিম)।

জমজমের পানি পানে যেকোনো রোগ থেকে আরোগ্য লাভের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবী। হাদিসে এসেছে-

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘এই পানি কোনো রোগ থেকে আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে পান করলে তোমাকে আল্লাহ আরোগ দান করবেন।’ (দারাকুতনি, মুসতাদরেকে হাকেম, তারগিব)।

জমজমের পানি সাধারণ কোনো পানি নয়, এটার হলো মহান আল্লাহর একান্ত অনুগ্রহ থেকে সৃষ্ট এক অলৌকিক কুয়ার পানি। যা তিনি শিশু ইসমাইল আলাইহিস সালামের পদতলে পদাঘাতের ফলে দান করেছেন।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা জমজমের পানি পানের মাধ্যমে হাদিসে ঘোষিত বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। শারীরিক সব অসুস্থতা থেকে সুস্থতা দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া