ব্রেকিং:
আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম বলেই বাংলাদেশ ভালো আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শর্ত সাপেক্ষে হোটেল ও বেকারি খোলা থাকবে, জানালো ডিএমপি স্পেনে মৃত্যুর মিছিলে আরো ৮৩২ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরলেন জাস্টিন ট্রুডোর স্ত্রী সোফি বাংলাদেশে তৈরি হল প্রথম ভেন্টিলেটর যন্ত্র ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে পথচারীদের বাড়ি ফেরাচ্ছে সেনাবাহিনী চীনে সুস্থ হওয়া ৩ থেকে ১০ শতাংশ ফের আক্রান্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস শুরু করোনাভাইরাস কীভাবে ছড়াচ্ছে, জানা নেই বিজ্ঞানীদেরও! অনলাইন কাঁপাচ্ছে ‘বড় লোকের বেটি’ ‘হক্কলে শুধু মুখোশ আর ওষধ দেয়, খাওন দেয় না’ দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি কোয়ারেন্টাইন না মানায় ২৫ জনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঞ্ছারামপুরে করোনা রোধে জীবাণুনাশক স্প্রে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থাকায় দুবাই ফেরত যুবককে জরিমানা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুবসমাজের সচেতনতা মূলক উদ্যোগ বিষ প্রয়োগে ৩০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন নাসিরনগরে ২ ভাইয়ের ঝগড়ায় প্রাণ গেল শিশুর নবীনগরে পিপিই , হ্যান্ডগ্লাপস, মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ
  • রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৫ ১৪২৬

  • || ০৪ শা'বান ১৪৪১

৩০১

রাতারাতি ১৪ কোটি টাকার মালিক দিনমজুর

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

দিনমজুর পি রঞ্জন ব্যাংকে ঋণের জন্য চারবার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু চারবারই তার আবেদন নাকচ করে দেয় ব্যাংক। জানুয়ারিতে শেষবারের মতো তার আবেদন নাকচ হওয়ার পর বাড়ি আসার পথে তিনি বড়দিন ও নববর্ষ উপলক্ষে ব্যাংকের একটি লটারি কিনে আনেন। এ লটারিতেই তিনি জিতে নিলেন ১২ কোটি রুপির ( ১৪ কোটি টাকা ) সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ভারতের কেরালা রাজ্যের কান্নুর জেলার কুথুপারাম্ভা শহরের বাসিন্দা রঞ্জন গত বছরই তার বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়ের বিয়েতে খরচের জন্য তার বিশাল অঙ্কের ধা’র-দেনা জমে ছিল। 

পাশাপাশি তার বাড়ি তৈরির কাজ অর্ধেক সমাপ্ত হবার পর অর্থের অভাবে থেমে গিয়েছিল। অর্থের জন্য তার ছেলেকে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ছোট মেয়ে এবার মাধ্যমিকে পড়াশুনা করছে। 

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অভাবকে সাময়িকভাবে দমনের জন্য ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেন তিনি। একে একে চারবার আবেদন করলেও প্রত্যেকবারই ব্যাংক তার আবেদন নাকচ করে দেয়।

সোমবার লটারির এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সর্বোচ্চ পুরস্কারের দাবি করে কোনো লটারি ক্রেতাই সেদিন হাজির হননি।

পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে রঞ্জন তার টিকেট নাম্বার লিখে কাছাকাছি এক দোকানে যান তার কেনা লটারির বিপরীতে কোনো পুরস্কার আছে কিনা তা দেখতে।

তাকে বিস্মিত করে দোকানি জানায়, তিনশ রুপি দিয়ে তার কেনা এসটি ২৬৯৬০৯ নম্বরের টিকেটটি লটারিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার ১২ কোটি রুপি জিতে নিয়েছে।

রঞ্জনের স্ত্রী রজনী জানান, তার স্বামীর লটারি কেনা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। কিন্তু এবারের লটারি নিয়ে ঝগড়ার জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না।

রঞ্জন বলেন, স্ত্রীকে যখন তিনি লটারি জেতার খবর দেন তখন তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি। পরে লোকজন তাকে অভিনন্দন জানাতে এলে রজনী বুঝতে পারেন।

রঞ্জন জানান, লটারির এ টাকা থেকে প্রথমে তিনি সাত লাখ রুপি দেনা শোধ করবেন এবং তার অর্ধেক শেষ করা বাড়ির কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ করবেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বিনোদন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর