ব্রেকিং:
শীতার্তদের পাশে সংবাদপত্র কর্মীরা স্বাস্থ্য সেবা হচ্ছে মানবতার প্রধান উৎস মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে ‘আলোর সিঁড়ি’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে বিক্ষোভ মাদকাসক্ত স্বামীকে পুলিশে দিলেন স্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন আগুন শেখ হাসিনা সড়কে ব্রিজের নির্মাণকাজ পরিদর্শন বিশ্ববিখ্যাত ইনটেলের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশি ওমর ইশরাক পবিত্র জুমাবারের সুন্নতগুলো জেনে নিন ছড়িয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস, সৌদিতে ভারতীয় আক্রান্ত পাকিস্তানকে হারাতে আজ মাঠে নামবে টাইগাররা রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চার আদেশ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ মাদরাসায় এক কেজি মুড়ির বিল ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা! সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী আজিজুল হকের মায়ের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের শোক সরকারি নির্মাণাধীন বাসগৃহ পরিদর্শন করেন ইউএনও মৎস্য ব্যবসায়ীদের বাজার বর্জন বাজার ব্যবস্থাপনা ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন আকস্মিক কলেজ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী

শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৯৮

রাতকানা রোগ এখন এক শতাংশেরও নিচে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশে রাতকানা রোগ ছিল ১০ ভাগেরও উপরে। তবে সরকারের যথাসময়ে সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করার ফলেই দেশে পোলিও নির্মূলসহ রাতকানা রোগ এখন এক শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর শিশু হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। 

জাহিদ মালেক বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই টিকাদান কর্মসূচি প্রথম শুরু করেছিলেন। ধীরে-ধীরে রাতকানা রোগ ৪ দশমিক ১ ভাগে নামিয়ে এনেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় আজ দেশে রাতকানা রোগ আর নেই বললেই চলে। 

এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকাদান কর্মসূচিকে সফল করতে হবে। 

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছোট ছোট শিশুদের মুখে লাল ও নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। 

সে অনুযায়ী আজ থেকেই ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সারাদেশে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরো ২০ হাজার অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এম এ আজিজ এমপি, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক খ.ম কাজী মহিউল ইসলাম প্রমুখ।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর