ব্রেকিং:
আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম বলেই বাংলাদেশ ভালো আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শর্ত সাপেক্ষে হোটেল ও বেকারি খোলা থাকবে, জানালো ডিএমপি স্পেনে মৃত্যুর মিছিলে আরো ৮৩২ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরলেন জাস্টিন ট্রুডোর স্ত্রী সোফি বাংলাদেশে তৈরি হল প্রথম ভেন্টিলেটর যন্ত্র ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে পথচারীদের বাড়ি ফেরাচ্ছে সেনাবাহিনী চীনে সুস্থ হওয়া ৩ থেকে ১০ শতাংশ ফের আক্রান্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস শুরু করোনাভাইরাস কীভাবে ছড়াচ্ছে, জানা নেই বিজ্ঞানীদেরও! অনলাইন কাঁপাচ্ছে ‘বড় লোকের বেটি’ ‘হক্কলে শুধু মুখোশ আর ওষধ দেয়, খাওন দেয় না’ দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি কোয়ারেন্টাইন না মানায় ২৫ জনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঞ্ছারামপুরে করোনা রোধে জীবাণুনাশক স্প্রে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থাকায় দুবাই ফেরত যুবককে জরিমানা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুবসমাজের সচেতনতা মূলক উদ্যোগ বিষ প্রয়োগে ৩০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন নাসিরনগরে ২ ভাইয়ের ঝগড়ায় প্রাণ গেল শিশুর নবীনগরে পিপিই , হ্যান্ডগ্লাপস, মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ
  • রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৫ ১৪২৬

  • || ০৪ শা'বান ১৪৪১

১৯২

যে আট পরামর্শে চীনে করোনা নিয়ন্ত্রিত

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২০  

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস বিশ্বের ১৭০টি দেশে আঘাত হেনেছে। এতে আট হাজার ৯৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ২০ হাজার ২৫১ জন। দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তবে করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে ভাইরাসটিতে মৃত্যু বা আক্রান্তের সংখ্যা কমে এসেছে। কোনো ওষুধ নয়, আটটি পরামর্শ মেনে চীনে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন সেই দেশের লিয়াওংনিং প্রদেশের ডালিয়ান শহরে থাকা বাংলাদেশের শিক্ষার্থী হাশিম রাব্বি।
রাব্বি সংবাদমাধ্যমকে জানান, করোনার কোনো ওষুধ নেই। একমাত্র সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে ভাইরাসটি থেকে মুক্তি মিলবে। 

চীন সরকারের আট পরামর্শের ব্যাপারে জানতে চাইলে রাব্বি জানান, সতর্ক থাকাই করোনা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে চীন সরকার। সরকার সবাইকে আটটি পরামর্শ দেয়। দেশটিতে থাকা সবাইকে পরামর্শগুলো মেনে চলতে বাধ্য করা হয়। সেগুলো হলো-

১. জ্বর, কাশি, সর্দি হলে তাৎক্ষণিক নিজেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

২. খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়। সপ্তাহে একদিন বাজার করতে বলা হয়।

৩. এলাকা ভিত্তিতে লকডাউন করা হয়। যাতে করোনা রোগী এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে।

৪. বাইরে গেলে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে বলা হয়।

৫. বাইরে থেকে এসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভালভাবে হাত ধুতে বলা হয়।

৬. অযথা চোখে মুখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।

৭. মানসিকভাবে শক্ত থাকতে বলা হয়।

৮. নিয়মিত খাবার গ্রহণ ও ব্যায়াম করতে বলা হয়।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর