ব্রেকিং:
কাজ করতে করতে জীবন শেষ, তবুও শোধ হয় না দাদনের টাকা! একাধিক রিপোর্ট হওয়া সত্ত্বেও পড়ছে না প্রশাসনের সুদৃষ্টি গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে যুবকের কারাদণ্ড গাছে-গাছে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল মাদ্রাসার হোস্টেলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ! কাতারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন চাঞ্চল্যকর রকেট হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ সভা প্রতিবন্ধীদের ভাতা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ চোরাচালান প্রতিরোধ ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাবাকে পেটানোর প্রতিশোধ নিতে হত্যাকাণ্ড! সোনা রোদে চোখ মেলেছে সূর্যমুখী এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহারে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! অপরাধ করে কেউ পার পাবে না: ওবায়দুল কাদের পুরান ঢাকায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, ২০ কোটি টাকা উদ্ধার দেশীয় বেনসন-গোল্ডলিফে মিলল নিকোটিনের চেয়েও ‘মারাত্মক’ উপাদান ক্লাসে ঢুকে নারী শিক্ষকের হাত ভাঙলেন দম্পতি হরিণের চামড়ায় দাঁড়িয়ে সৌম্যের আশীর্বাদ, পড়বেন শাস্তির মুখে! মাদকিবরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর সুইসাইড নোটে কী লিখেছিলেন সালমান শাহ ভালোবেসে বিয়ে করে কারাগারে তরুণ-তরুণী
  • মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬

  • || ০১ রজব ১৪৪১

১২৮

যেনে রাখা ভালো, ডেঙ্গু রোগীরা কতদিন পর্যন্ত রক্ত দিতে পারবেন না

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০১৯  

ডেঙ্গু রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরও তাদের বেশকিছু বিষয়ে খুব সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এরমধ্যে ডেঙ্গু রোগীরা সুস্থ সঙ্গে সঙ্গেই কাউকে রক্ত দিতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন তারা। কোনো ডেঙ্গু রোগী কাউকে রক্ত দিতে চাইলে সুস্থ হওয়ার পরও তাকে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে।

পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীকে সুস্থ হওয়ার পর আরো দশদিন মশারির ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা বলছেন, রক্তের মাধ্যমে ডেঙ্গুর জীবাণু ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু রোগীর শরীরে সাত থেকে দশদিনের মতো এর জীবাণু থাকতে পারে। এই দশ দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি কোনও এডিসি মশা কামড় দেওয়ার পর কোনও সুস্থ মানুষকে ফের কামড় দিলেও তিনিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবেন।

তাই ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হওয়ার পর তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখতে  সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হওয়ার পরও পরবর্তী ছয়মাসের ভেতরে কাউকে রক্ত দিতে পারবেন না। কারণ ছয়মাস পর্যন্ত ওই ব্যক্তির শরীরে ডেঙ্গুর জীবাণু থাকতে পারে। তাই কাউকে রক্ত দিলে তার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা আছে।

প্রসঙ্গত, এডিস মশার কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। এর মধ্যে মূলত এডিস এজিপটি প্রজাতির মশাই ডেঙ্গুর ভাইরাস-বাহক হিসেবে কাজ করে।

এই প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, একজন ডেঙ্গু রোগীকে এডিস মশা কামড়ালে তার শরীরের ভাইরাসের মাধ্যমে আরেকজন আক্রান্ত হতে পারে, এজন্য তাকে মশারীর ভেতরে থাকতে হবে সপ্তাহখানেক।

আবার জ্বর হয়তো কমে গেছে কিন্তু হঠাৎ করেই প্লাটিলেট কমে গিয়ে তার অবস্থা খারাপ হতে পারে। এসব কারণে তাকে সতর্ক থাকতে হবে প্রায় দশদিন। তবে, এটি একটি ভাইরাস জ্বর। তাই রোগী বেশ কয়েকদিন দুর্বল থাকবেন। এজন্য তাকে অন্তত দশদিন অন্যান্য খাবারের সঙ্গে তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই রক্তদানে আগ্রহীরা  আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু কোনও ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তির অন্তত ছয়মাস আরেকজনকে রক্ত দিতে পারবেন না।  

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর