ব্রেকিং:
কসবায় ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরণ মাদক বিরোধী অভিযানে আটক তিন কারা থাকছে আখাউড়ায় ছাত্রলীগের কমিটিতে সুশাসনের জন্য দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায় সরাইলে অপপ্রচার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ বিএনপি নেতা দুদুর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা বিএনপি’র পকেট কমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ ও ঝাঁড়ু মিছিল ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মুসলিম যাত্রী থাকায় আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে বিল ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুঁশিয়ারি তিন স্পা সেন্টার থেকে ১৬ নারী ও ৩ পুরুষ আটক দেশে বেড়েই চলেছে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা শাবিপ্রবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের উদ্যোগের ঘাটতি নেই ক্যাসিনো চালাতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেল স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে আওয়ামী লীগ মাদক ব্যবসায়ীদের চেনার উপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১১ জন খেলাঘরের জাতীয় পরিষদে

সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

৪৫

যেনে রাখা ভালো, ডেঙ্গু রোগীরা কতদিন পর্যন্ত রক্ত দিতে পারবেন না

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০১৯  

ডেঙ্গু রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরও তাদের বেশকিছু বিষয়ে খুব সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এরমধ্যে ডেঙ্গু রোগীরা সুস্থ সঙ্গে সঙ্গেই কাউকে রক্ত দিতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন তারা। কোনো ডেঙ্গু রোগী কাউকে রক্ত দিতে চাইলে সুস্থ হওয়ার পরও তাকে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে।

পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীকে সুস্থ হওয়ার পর আরো দশদিন মশারির ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা বলছেন, রক্তের মাধ্যমে ডেঙ্গুর জীবাণু ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু রোগীর শরীরে সাত থেকে দশদিনের মতো এর জীবাণু থাকতে পারে। এই দশ দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি কোনও এডিসি মশা কামড় দেওয়ার পর কোনও সুস্থ মানুষকে ফের কামড় দিলেও তিনিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবেন।

তাই ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হওয়ার পর তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখতে  সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হওয়ার পরও পরবর্তী ছয়মাসের ভেতরে কাউকে রক্ত দিতে পারবেন না। কারণ ছয়মাস পর্যন্ত ওই ব্যক্তির শরীরে ডেঙ্গুর জীবাণু থাকতে পারে। তাই কাউকে রক্ত দিলে তার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা আছে।

প্রসঙ্গত, এডিস মশার কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। এর মধ্যে মূলত এডিস এজিপটি প্রজাতির মশাই ডেঙ্গুর ভাইরাস-বাহক হিসেবে কাজ করে।

এই প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, একজন ডেঙ্গু রোগীকে এডিস মশা কামড়ালে তার শরীরের ভাইরাসের মাধ্যমে আরেকজন আক্রান্ত হতে পারে, এজন্য তাকে মশারীর ভেতরে থাকতে হবে সপ্তাহখানেক।

আবার জ্বর হয়তো কমে গেছে কিন্তু হঠাৎ করেই প্লাটিলেট কমে গিয়ে তার অবস্থা খারাপ হতে পারে। এসব কারণে তাকে সতর্ক থাকতে হবে প্রায় দশদিন। তবে, এটি একটি ভাইরাস জ্বর। তাই রোগী বেশ কয়েকদিন দুর্বল থাকবেন। এজন্য তাকে অন্তত দশদিন অন্যান্য খাবারের সঙ্গে তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই রক্তদানে আগ্রহীরা  আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু কোনও ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তির অন্তত ছয়মাস আরেকজনকে রক্ত দিতে পারবেন না।  

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর