ব্রেকিং:
বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে রয়েছে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী হুজুর সেজে ধর্ষককে ধরলেন পুলিশ কর্মকর্তা বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩ ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের রমণীদের পছন্দ বাংলাদেশি ছেলে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় মিয়ানমারের তদন্ত দল ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ টাইগারদের হেড কোচ হলেন রাসেল ডমিঙ্গো ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’ স্মার্টকার্ড পাবে ছয় বছরের শিশুও! হাঁসে হাসি-খুশির সংসার ‘বিশ্ববন্ধু’ উপাধি পেলেন বঙ্গবন্ধু ল্যান্ড ফোনের মাসিক লাইন রেন্ট বাতিল প্রসব বেদনা নিয়েই ছয় কিলোমিটার হাঁটলেন কাশ্মীরি মা সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিচ্ছে মিয়ানমার ‘ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি’ শনিবার থেকে কাঁচা চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা আখাউড়ায় তিতাস ব্রিজে দর্শনার্থীদের ভীড় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছুটি শেষে বাসায় ফিরে যা করবেন ঈদ আনন্দে বিনোদন কেন্দ্রগুলো মুখরিত

রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৫৮

মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে হারিয়ে যাচ্ছে চর সোনারামপুর

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সোনারামপুর গ্রামের দেড় কিলোমিটার চর পর্যায়ক্রমে মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অব্যাহত ভাঙনের ফলে ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে চরের পূর্ব দিকের বিরাট অংশ। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড সঞ্চালন লাইন। বর্ষা এলেই প্রতিবছর শুরু হয় ভাঙনের এই ভয়াবহতা। কয়েক বছর আগে ওই এলাকায় ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনকে এর জন্য দায়ী করছেন চরবাসী।

জানা যায়, প্রায় ২০০ বছর আগে আশুগঞ্জে মেঘনার বুকে জেগে উঠা চরটি চরসোনারামপুর গ্রাম নামকরণ করা হয়। এটি আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড। পাঁচ শতাধিক পরিবারের তিন হাজারের বেশি মানুষ বাস করেন এই চরে। সরজমিনে দেখা যায়, চরের পূর্ব দিকের বিরাট অংশ মেঘনার গর্ভে চলে গেছে। ঢেউয়ের আঘাতে পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকের অংশ প্রতিনিয়তই ভাঙছে। চরের মাঝখানে আশুগঞ্জের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি বড় টাওয়ারও রয়েছে। এটি আশুগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জ জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের লাইন। এই গ্রিড লাইনের গা ঘেঁষে বয়ে গেছে নদী। 

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে অপরিকল্পিতভাবে ওই এলাকায় ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হয়। এরপর শুরু হয় ভাঙন। এর মধ্যে প্রায় দেড় কিলোমিটার চলে গেছে নদীর পেটে। চারদিক থেকে ছোট হয়ে আসছে চরটি। এ বছর যেভাবে ভাঙা শুরু হয়েছে, এভাবে চলতে থাকলে গ্রামটির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গৌড় পদ সূত্রধর জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

আশুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাজিমুল হায়দার বলেন, আমি সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড অতি শ্রীঘ্রই বালি ভরা বস্তা ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু করবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর