ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর কলকাতার জীবন নিয়ে উপন্যাস নতুন বছরেই আকাশে দেখা যাবে ‘ফেইক মুন’ মন্দিরে পুরোহিতের বদলে মন্ত্র পড়াচ্ছে রোবট! লোভনীয় চাকরি ছেড়ে বাইক নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণী শিশুর পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয় পাকা চুল টেনে তুলে অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাত্রীবেশে ছিনতাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রমৈত্রীর ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পেট্রোবাংলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘কোটিপতি পিয়ন’ আটক ভাষা আন্দোলন-মুক্তিযুদ্ধ চিত্রে রঙিন দেয়াল যাত্রীবেশে টাকা-মোবাইল ছিনতাই, তিন যুবক ধরা আশুগঞ্জে সড়ক র্নিমাণে নিম্নমানের সামগ্রী! ট্রাক্টরের ধাক্কায় ধসে পড়ল দেয়াল, নিহত ১ চুরি ঠেকাতে দিন-রাত পেঁয়াজ ক্ষেতে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি পরিবার কল্যাণ সেবা সপ্তাহ পালিত ঐতিহাসিক ৬ই ডিসেম্বর আখাউড়ায় মুক্ত দিবস পালিত মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে ১৭টি আবেদনেই বাতিল

রোববার   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৬   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

১৩৫

মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে হারিয়ে যাচ্ছে চর সোনারামপুর

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সোনারামপুর গ্রামের দেড় কিলোমিটার চর পর্যায়ক্রমে মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অব্যাহত ভাঙনের ফলে ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে চরের পূর্ব দিকের বিরাট অংশ। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড সঞ্চালন লাইন। বর্ষা এলেই প্রতিবছর শুরু হয় ভাঙনের এই ভয়াবহতা। কয়েক বছর আগে ওই এলাকায় ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনকে এর জন্য দায়ী করছেন চরবাসী।

জানা যায়, প্রায় ২০০ বছর আগে আশুগঞ্জে মেঘনার বুকে জেগে উঠা চরটি চরসোনারামপুর গ্রাম নামকরণ করা হয়। এটি আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড। পাঁচ শতাধিক পরিবারের তিন হাজারের বেশি মানুষ বাস করেন এই চরে। সরজমিনে দেখা যায়, চরের পূর্ব দিকের বিরাট অংশ মেঘনার গর্ভে চলে গেছে। ঢেউয়ের আঘাতে পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকের অংশ প্রতিনিয়তই ভাঙছে। চরের মাঝখানে আশুগঞ্জের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি বড় টাওয়ারও রয়েছে। এটি আশুগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জ জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের লাইন। এই গ্রিড লাইনের গা ঘেঁষে বয়ে গেছে নদী। 

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে অপরিকল্পিতভাবে ওই এলাকায় ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হয়। এরপর শুরু হয় ভাঙন। এর মধ্যে প্রায় দেড় কিলোমিটার চলে গেছে নদীর পেটে। চারদিক থেকে ছোট হয়ে আসছে চরটি। এ বছর যেভাবে ভাঙা শুরু হয়েছে, এভাবে চলতে থাকলে গ্রামটির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গৌড় পদ সূত্রধর জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

আশুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাজিমুল হায়দার বলেন, আমি সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড অতি শ্রীঘ্রই বালি ভরা বস্তা ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু করবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর