ব্রেকিং:
শীতার্তদের পাশে সংবাদপত্র কর্মীরা স্বাস্থ্য সেবা হচ্ছে মানবতার প্রধান উৎস মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে ‘আলোর সিঁড়ি’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে বিক্ষোভ মাদকাসক্ত স্বামীকে পুলিশে দিলেন স্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন আগুন শেখ হাসিনা সড়কে ব্রিজের নির্মাণকাজ পরিদর্শন বিশ্ববিখ্যাত ইনটেলের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশি ওমর ইশরাক পবিত্র জুমাবারের সুন্নতগুলো জেনে নিন ছড়িয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস, সৌদিতে ভারতীয় আক্রান্ত পাকিস্তানকে হারাতে আজ মাঠে নামবে টাইগাররা রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চার আদেশ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ মাদরাসায় এক কেজি মুড়ির বিল ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা! সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী আজিজুল হকের মায়ের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের শোক সরকারি নির্মাণাধীন বাসগৃহ পরিদর্শন করেন ইউএনও মৎস্য ব্যবসায়ীদের বাজার বর্জন বাজার ব্যবস্থাপনা ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন আকস্মিক কলেজ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী

শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৮০৩

ভয়েস কলের দিন প্রায় শেষ: মোস্তাফা জব্বার

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯  

ভয়েস কলের দিন প্রায় শেষ হয়ে আসছে বলে জানিছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। তিনি বলেন, কিছুদিন পরেই মানুষ নতুন প্রজন্মের কল প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হবে। কথা বলার জন্য তখন শুধু মাত্র ডাটা খরচ হবে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে বিটিআরসি আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তাফা জব্বার তিনটি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভয়েস কলের দিন শেষ হয়ে আসছে, সামনে ডেটা কলের দিন। ভয়েস টেকনোলজি হয়ে যাবে আইপি নির্ভর।

তিনি বলেন, এরপর আসছে ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশনের কথা। তবে দেশের ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশনের দিকটা আলাদা। আমরা বলছি, ব্লক চেইন প্রযুক্তি, রোবোটিকস, বিগ ডেটার কথা। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান কতটা উন্নত করতে পারব, তা ভাবতে হবে।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন টাওয়ারের স্পেসিফিক অ্যাবজর্পশন রেট ০.৬ এর ওপর নয় জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার জানান, মোবাইল ফোন টাওয়ারেরর রেডিয়েশনের মাধ্যমে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে এমন অভিযোগ যারা করছেন তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক। 

অনুষ্ঠানে ‘ব্রিজিং দ্য স্ট্যান্ডারাইজেশন গ্যাপ’ শিরোনামে কি-নোট পেপার উপস্থাপন করেন গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেপ্লয়ম্যান্ট বিভাগের প্রধান মো. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, মোবাইল ফোন অপারেটরদের কল ড্রপে গ্রাহক অসন্তুষ্টিতে সরকার বিব্রত হচ্ছে। এ সমস্যা থেকে বের হতে থার্ড পার্টির মাধ্যমে টেকনিক্যাল অডিট করে মোবাইল অপারেটরদের ত্রুটি খুঁজে বের করার প্রস্তাব দেন।

তিনি জানান, বিটিআরসির হিসাবে, ২০১৮ সালের অগাস্ট মাস পর্যন্ত গ্রামীণফোনের কলড্রপের সংখ্যা ১০৩ কোটি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবি’র কলড্রপ ৭৬ কোটি, বাংলালিংকের কলড্রপ ৩৬ কোটি ও রাষ্ট্রয়ত্ত্ব অপারেটর টেলিটকের কলড্রপ ৬ কোটি।

প্রতিন্ত্রী বলেন, কল ড্রপ নিয়ে বিটিআরসি বলছে এক কথা, মোবাইল অপারেটররা বলছে আরেক কথা। আমরা এখন ডিজিটাল সার্ভিসে কোয়ালিটির কথা বলছি, তখন এই কল ড্রপ নিয়ে সরকারকে নানা বিরূপ মন্তব্য শুনতে হচ্ছে। বিটিআরসি ফিন্যান্সিয়াল অডিট করে, এবার টেকনিক্যাল অডিট হওয়ার প্রয়োজন। থার্ড পার্টির এই অডিটের মাধ্যমে কারণ জানা প্রয়োজন। জানা দরকার ত্রুটি আসলে কোথায়।

তিনি বলেন, সাড়ে ৯ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশে এখন সময় এসেছে সবগুলো ডিজিটাল সার্ভিসের গুণগত মান ঠিক রাখা। আমাদের সার্ভিস ডিজাইনগুলো স্ট্যান্ডারাইজেশনের জন্য প্রয়োজন একটা ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, পদ্মা সেতুর পাশে ৭০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে তোলা হবে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, যেখানে আরো প্রশিক্ষিত করা হবে আগামী দিনের প্রযুক্তিবিদদের।

অনুষ্ঠানে স্ট্যান্ডারাইজেশন অব ফাইভ জি শিরোনামে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের প্রধান কর্মকর্তা ওয়াং শিউ জেরি। পরে ফাইভ জি নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন নোকিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক রিজিয়নের গভর্নমেন্ট রিলেশনস বিভাগের প্রধান গিয়ম মাসকট।

উল্লেখ্য, এবার ‘ব্রিজিং দ্য স্ট্যান্ডারাইজেশন গ্যাপ’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উদযাপিত হচ্ছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর