ব্রেকিং:
প্রণোদনায় বাড়ছে রেমিট্যান্স একনেকে ৪৬৩৬ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন রাস্তায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: প্রধানমন্ত্রী গুজবে কান না দিতে পুলিশের অনুরোধ মহাসড়কে অ্যালকোহল ডিটেক্টর চালু জালের সাথে মানুষের শত্রুতা! চট্রগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেয়ালের মাংসকে খাসির মাংস বলে বিক্রি, অতঃপর... `সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন` নৈরাজ্য তৈরির জন্যই ভোলায় সংঘর্ষ স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে মামলা দায়ের সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান আটক বয়স বাড়িয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে, কারাগারে প্রেমিক প্রভাবশালীর দাপটে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায় দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্লেড দিয়ে কেটে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ মন্ত্র প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা ক্রিকেটারদের ধর্মঘট নিয়ে যা বললেন গাঙ্গুলি বান্দরবানে টিয়েন্স গ্রুপের তিন যুবক আটক

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

৯৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত

প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০১৯  

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১ লক্ষ ৫ হাজার ৯৬০টি কোরবানির পশু। ফলে এ বছর চাহিদা মেটাতে পশু আমদানির প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলার কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অন্তত সাড়ে ১৩ হাজার খামারে এক লাখ ৫ হাজার ৯৬০টি গরু-মহিষ পালন করেছেন খামারিরা। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব খামারে পালন করা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ ও ছাগল। তবে গত বছর শেষ সময়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করায় অনেক খামারি লোকসানের মুখে পড়েছিলেন। তাই এ বছর সেই লোকসান কাটাতে জেলার বিভিন্ন খামারে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। এ দিকে, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বাজার মনিটরিং করছে। এজন্য তাদের ৬০টি মেডিকেল টিম বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাটে কাজ করছে।

এবার জেলায় মোট ১০১টি স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট রয়েছে। যার মধ্যে সদর উপজেলায় ১২টি, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৮টি, নাসিরনগর উপজেলায় ৭টি, সরাইল উপজেলায় ৬টি, নবীনগর উপজেলায় ১৩টি, আখাউড়া উপজেলায় ৫টি, কসবা উপজেলায় ১৫টি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ২৫টি, বিজয়নগর উপজেলায় ১০টি স্থায়ী-অস্থায়ী হাট রয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় আরও কিছু হাট রয়েছে।

সব মিলিয়ে জেলায় প্রায় ২ শতাধিক হাট রয়েছে। সবগুলো হাটে বিভিন্ন সময়ে চলছে বেচাকেনা। পাশাপাশি জেলার নয়টি উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ। চাহিদার তুলনায় বেশি পশু মজুদ থাকায় কোনো সংকট তৈরি হবে না। এদিকে, জেলার নয় উপজেলায় প্রায় ২ শতাধিক ছোটবড় কোরবানির পশুর হাট রয়েছে। প্রতিটি বাজারেই কোরবানির পশু গরু, ছাগল ও মহিষ বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। যেখানে অধিকাংশই জেলার বিভিন্ন খামারিদের পালন করা পশু তোলা হয়েছে।
আশুগঞ্জ উপজেলার খামারী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন ঔষধ, খড় ও ভুষিসহ দেশীয় পদ্ধিতে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। ফলে গরু পালনে ব্যয়ও হয়েছে বেশি। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি, বাজারে যেন ভারতীয় পশু প্রবেশ করতে না দেওয়া হয়।’

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি দত্ত বলেন, ‘কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে প্রায় ৫ বছর আগে থেকেই জেলার ৯ উপজেলায় কাজ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। এবার জেলার কোরবানির পশুর কোনও সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আমরা জেলার প্রতিটি হাটে মোবাইল মেডিকেল টিম রেখেছি। তারা সবসময় মাঠে সক্রিয় রয়েছে।’

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর