ব্রেকিং:
কসবায় ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরণ মাদক বিরোধী অভিযানে আটক তিন কারা থাকছে আখাউড়ায় ছাত্রলীগের কমিটিতে সুশাসনের জন্য দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায় সরাইলে অপপ্রচার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ বিএনপি নেতা দুদুর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা বিএনপি’র পকেট কমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ ও ঝাঁড়ু মিছিল ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মুসলিম যাত্রী থাকায় আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে বিল ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুঁশিয়ারি তিন স্পা সেন্টার থেকে ১৬ নারী ও ৩ পুরুষ আটক দেশে বেড়েই চলেছে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা শাবিপ্রবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের উদ্যোগের ঘাটতি নেই ক্যাসিনো চালাতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেল স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে আওয়ামী লীগ মাদক ব্যবসায়ীদের চেনার উপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১১ জন খেলাঘরের জাতীয় পরিষদে

সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

৭০২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ-চাষ

প্রকাশিত: ৮ এপ্রিল ২০১৯  

নানা প্রজাতির ফুলের রেণু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হচ্ছে মধু চাষ। লাভজনক হওয়ায় বাড়ছে উদ্যোক্তার সংখ্যা। ইতোমধ্যে জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক পরিমাণ মধু আহরিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মধু চাষকে উৎসাহিত করতে উদ্যেক্তাদের মধ্যে বিনা মূল্যে উন্নত মানের মৌ বক্স বিতরণসহ নানা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ২০১৬ সাল থেকে কৃষি মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উদ্যোগে মধু চাষের প্রকল্প গ্রহন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় জেলায় ঋতুভিত্তিক উৎপাদিত সরিষা, ধনিয়া, লিচু, তিল ও কালি জিরা যখন যে ফুল আসছে তার রেনু থেকেই সংগ্রহ করা হচ্ছে মধু। ইতিমধ্যে সরিষা থেকে মধু আহরণের কাজ শেষে এখন বিজয়নগরের লিচু বাগানে লিচুর রেণু থেকে চলছে মধু আহরণের কাজ। চলতি মৌসুমে জেলায় ৬ শ কেজি মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও শুধু মাত্র সরিষা থেকেই ৩ হাজার ২শ কেজি মধু সংগৃহীত হয়েছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে, লিচু থেকেও সম-পরিমান মধু সংগৃহীত হবে।
মধুচাষের এ সফলতায় প্রেরণা যোগাচ্ছে নতুন উদ্যোক্তাদের। খামারিরা জানিয়েছেন, উৎপাদিত মধু এখানকার চাহিদা মেটানোর পর ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও ভৈরব সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রী হচ্ছে। প্রকার ভেদে একেক ফুলের রেণু থেকে সংগৃহিত মধু একেক মূল্যে বিক্রী হচ্ছে। তার মধ্যে কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রী হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান ,কৃত্রিম উপায়ে মধু চাষের ফলে পরাগায়নের ফলে লিচুর ফলনও বাড়বে। খামারের মালিক মোঃ রফিকুর রহমান রিমন বলেন, নতুন উদ্যোক্তারা আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে। মধু চাষ করে আমরা বেশ লাভবান হচ্ছি। সব খরচ বাদ দিয়েও প্রতিমাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মত মুনাফা হয়। এতে করে এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা ও হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা পেলে খামার সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন উদ্যেক্তারা উপকৃত হত। এতে করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে মধু রপ্তানী করা যেত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপপরিচালক মোঃ আবু নাসের জানান মধু চাষকে আরো এগিয়ে নিতে ৪৩ জন উদ্যাক্তার মাঝে বিনামূল্যে উন্নতমানের মৌ বক্স দেয়া হয়েছে। মৌ মাছি ও রাণী প্রতিস্থাপন কাজ চলমান আছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর