ব্রেকিং:
শিশু মৃত্যু ৬৩ শতাংশ কমিয়েছে বাংলাদেশ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৩১ ব্যাংকের বুথ বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রেষ্ঠ আশুগঞ্জের ইউএনও বিজয়নগরে ট্রাক্টর চাপায় শিশু নিহত শাহ মোহাম্মদ শামছুল আলম আর নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল যেনো ভূতের আখড়া! ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা....... নবীনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মিনহাজ, সম্পাদক জয় ২০ লাখ পাসপোর্ট কেনার প্রস্তাব অনুমোদন থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘালয়ে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, শিলংয়ে কারফিউ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত: আইসিজে প্রেসিডেন্ট রঙিন চেয়ারে বসিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা কার্ড জালিয়াতি করে ভাতা উত্তোলন, অতঃপর... ফেন্সিডিল-স্কফ ও ইয়াবাসহ নারী ব্যবসায়ী আটক উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজি ও হুমকি, ঠিকাদারদের নিন্দা ‘সত্য মিথ্যা যাচাই আগে,ইন্টারনেটে শেয়ার পরে’ পিএর বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ আধুনিক ও আদর্শ পৌরসভা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

৭৭০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ-চাষ

প্রকাশিত: ৮ এপ্রিল ২০১৯  

নানা প্রজাতির ফুলের রেণু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হচ্ছে মধু চাষ। লাভজনক হওয়ায় বাড়ছে উদ্যোক্তার সংখ্যা। ইতোমধ্যে জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক পরিমাণ মধু আহরিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মধু চাষকে উৎসাহিত করতে উদ্যেক্তাদের মধ্যে বিনা মূল্যে উন্নত মানের মৌ বক্স বিতরণসহ নানা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ২০১৬ সাল থেকে কৃষি মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উদ্যোগে মধু চাষের প্রকল্প গ্রহন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় জেলায় ঋতুভিত্তিক উৎপাদিত সরিষা, ধনিয়া, লিচু, তিল ও কালি জিরা যখন যে ফুল আসছে তার রেনু থেকেই সংগ্রহ করা হচ্ছে মধু। ইতিমধ্যে সরিষা থেকে মধু আহরণের কাজ শেষে এখন বিজয়নগরের লিচু বাগানে লিচুর রেণু থেকে চলছে মধু আহরণের কাজ। চলতি মৌসুমে জেলায় ৬ শ কেজি মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও শুধু মাত্র সরিষা থেকেই ৩ হাজার ২শ কেজি মধু সংগৃহীত হয়েছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে, লিচু থেকেও সম-পরিমান মধু সংগৃহীত হবে।
মধুচাষের এ সফলতায় প্রেরণা যোগাচ্ছে নতুন উদ্যোক্তাদের। খামারিরা জানিয়েছেন, উৎপাদিত মধু এখানকার চাহিদা মেটানোর পর ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও ভৈরব সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রী হচ্ছে। প্রকার ভেদে একেক ফুলের রেণু থেকে সংগৃহিত মধু একেক মূল্যে বিক্রী হচ্ছে। তার মধ্যে কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রী হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান ,কৃত্রিম উপায়ে মধু চাষের ফলে পরাগায়নের ফলে লিচুর ফলনও বাড়বে। খামারের মালিক মোঃ রফিকুর রহমান রিমন বলেন, নতুন উদ্যোক্তারা আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে। মধু চাষ করে আমরা বেশ লাভবান হচ্ছি। সব খরচ বাদ দিয়েও প্রতিমাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মত মুনাফা হয়। এতে করে এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা ও হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা পেলে খামার সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন উদ্যেক্তারা উপকৃত হত। এতে করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে মধু রপ্তানী করা যেত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপপরিচালক মোঃ আবু নাসের জানান মধু চাষকে আরো এগিয়ে নিতে ৪৩ জন উদ্যাক্তার মাঝে বিনামূল্যে উন্নতমানের মৌ বক্স দেয়া হয়েছে। মৌ মাছি ও রাণী প্রতিস্থাপন কাজ চলমান আছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর