ব্রেকিং:
শীতার্তদের পাশে সংবাদপত্র কর্মীরা স্বাস্থ্য সেবা হচ্ছে মানবতার প্রধান উৎস মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে ‘আলোর সিঁড়ি’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে বিক্ষোভ মাদকাসক্ত স্বামীকে পুলিশে দিলেন স্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন আগুন শেখ হাসিনা সড়কে ব্রিজের নির্মাণকাজ পরিদর্শন বিশ্ববিখ্যাত ইনটেলের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশি ওমর ইশরাক পবিত্র জুমাবারের সুন্নতগুলো জেনে নিন ছড়িয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস, সৌদিতে ভারতীয় আক্রান্ত পাকিস্তানকে হারাতে আজ মাঠে নামবে টাইগাররা রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চার আদেশ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ মাদরাসায় এক কেজি মুড়ির বিল ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা! সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী আজিজুল হকের মায়ের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের শোক সরকারি নির্মাণাধীন বাসগৃহ পরিদর্শন করেন ইউএনও মৎস্য ব্যবসায়ীদের বাজার বর্জন বাজার ব্যবস্থাপনা ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন আকস্মিক কলেজ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী

শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি ২০২০  

ঢাকার চকবাজারের ব্যবসায়ী মো. আব্দুল হান্নান বাহার হত্যা মামলা রায়ে অভিযুক্ত চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিচারক সফিউল আজম এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, মো. নুরু মিয়া, মো. জিয়াউল হক, লোকমান খান ও মো. কাদির হোসেন। এদের মধ্যে মো. জিয়াউল হক রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দণ্ডপ্রাপ্তরা জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

২০১৪ সালের ৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচরে তিতাস নদী থেকে আব্দুল হান্নানের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় আব্দুল হান্নানের ছোট ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে বাঞ্চারামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ১০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে আব্দুল হান্নানকে হত্যা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার অম্বরনগর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল হান্নান বাহার ঢাকার চকবাজারে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন।

মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এস. এম ইউসুফ। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন আহমেদ জানান, এ নিয়ে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপীল করবেন।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে গেছে, আব্দুল হান্নান বাহারের ঢাকার চকবাজারের দোকান থেকে পাইকাররা মালামাল কিনতেন। পাইকারদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায় করতে তিনি বিভিন্ন এলাকায় যেতেন। ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুর তিনটার দিকে বাহার কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা এলাকায় পাইকার লোকমান খানের কাছে বকেয়া আদায় করতে যান। বাহারকে তার পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলে বাঙ্গরা বাজারে ডেকে নেন লোকমান। বাঙ্গরা বাজারে যাওয়ার পর লোকমান তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে বাহারকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তুলে নিয়ে যান। নৌকায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য বাহারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ফোন করেন। ৪ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাহারের হাত-পা বেঁধে তাকে নির্যাতন করে কিছু টাকাও আদায় করা হয়। ৬ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টায় বাহারকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর লঞ্চ ঘাটের বিপরীত দিকে তিতাস নদীতে ফেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। ৮ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে নদী থেকে বাহারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর