ব্রেকিং:
শুধু ফুসফুস নয় হার্টে গিয়েও থাবা বসাচ্ছে করোনা! দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গুরুতর আহত ক্রিকেটার লিটন দাসের স্ত্রী দেশের সব স্টেডিয়াম হাসপাতালের জন্য উন্মুক্ত : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী করোনা ভাইরাস নিরাময়ে ওষুধ আবিষ্কার হয়ে গেছে সম্ভবত স্যানিটাইজার উৎপাদন করতেই কর্মকর্তা বদলী!!! দেহে করোনা প্রবেশ করলে যা যা ঘটে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ ভিক্ষা করলে পেটে ভাত “না করলে নাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও জীবানুনাশক ও পানি ছিটিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষের পাশে জাতীয় পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন করে আরো ১০৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে জন সচেতনতায় মাইক হাতে রাস্তায় চেয়ারম্যান জনকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে হেন্ড সেনিটাইজার ও মাস্ক রিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ দুইজন আটক পিপিই পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকরা ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিও ছাত্রলীগের নয়, বিএনপি নেতার ছেলের’ হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে প্রবাসীদের বাড়িতে সেনা অভিযান
  • মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৬ ১৪২৬

  • || ০৬ শা'বান ১৪৪১

৬৭৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইতালিফেরত তিনজন হোম কোয়ারেন্টাইনে

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় ইতালিফেরত তিন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ নেই বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. শাহ আলম।

হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা তিনজনই পুরুষ এবং তাদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে জেলাবাসীর মধ্যে যেন আতঙ্ক না ছড়ায় সেজন্য তাদের নাম-পরিচয় গোপন রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। গত তিনদিন আগে ইতালি থেকে দেশে ফিরেন ওই তিন প্রবাসী। এরপর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। তবে তারা পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

এদিকে এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে প্রস্তুতি হিসেবে জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ইতোমধ্যে জেলার বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে কোয়ারেন্টাইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেজন্য স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সের নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডটি প্রস্তুত করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কিংবা করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ আছে এমন রোগীদের সেখানে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে করোনভাইরাস পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় যন্ত্র নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালে। কাউকে সন্দেহ হলে তাকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. শাহ আলম বলেন, ইতালি থেকে আসা তিন প্রবাসীকে আমাদের মেডিকেল টিমের মাধ্যমে বুঝিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে তাদের কারও মধ্যেই করোনাভাইরাসের লক্ষণ বা উপসর্গ নেই। তারা সুস্থ আছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য কোনো নির্দেশনা নেই। যদি সন্দেহ হয় তাহলে আমরা আইইডিসিআর-এ পাঠাবো। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি মনে হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল অথবা চীন-মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে। কিন্তু এ ধরণের রোগী আমরা এখনও পাইনি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর