ব্রেকিং:
শিশু মৃত্যু ৬৩ শতাংশ কমিয়েছে বাংলাদেশ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৩১ ব্যাংকের বুথ বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রেষ্ঠ আশুগঞ্জের ইউএনও বিজয়নগরে ট্রাক্টর চাপায় শিশু নিহত শাহ মোহাম্মদ শামছুল আলম আর নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল যেনো ভূতের আখড়া! ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা....... নবীনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মিনহাজ, সম্পাদক জয় ২০ লাখ পাসপোর্ট কেনার প্রস্তাব অনুমোদন থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘালয়ে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, শিলংয়ে কারফিউ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত: আইসিজে প্রেসিডেন্ট রঙিন চেয়ারে বসিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা কার্ড জালিয়াতি করে ভাতা উত্তোলন, অতঃপর... ফেন্সিডিল-স্কফ ও ইয়াবাসহ নারী ব্যবসায়ী আটক উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজি ও হুমকি, ঠিকাদারদের নিন্দা ‘সত্য মিথ্যা যাচাই আগে,ইন্টারনেটে শেয়ার পরে’ পিএর বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ আধুনিক ও আদর্শ পৌরসভা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

১২

ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১২ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৯  

ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১২ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ব্যাংকসমূহে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন, সংশোধনের মাধ্যমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, কর্তব্য এবং কর্মপরিধি সম্পর্কে দিক-নিদের্শনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে সরকারি দলের এমপি মহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা মবলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে অনলাইনে আবেদন করে থাকেন। গত ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪৬জন সরকারি কর্মচারী ঋণের আবেদন করলেও ১৯০ জন এ সুবিধা পেয়েছেন। আবেদনে ত্রুটি থাকায় ৫৬ জনের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

বিএনপি দলীয় এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের লিখিত প্রশ্নের জবাবে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা। এসব ঋণের মধ্যে ব্যাংকের খেলাপি ১ লাখ ৬ হাজার ৫৫ কোটি টাকা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮ হাজার ৪২ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ প্রণয়ন করেছে। এ আইনের আলোকে খেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত শ্রেণিকৃত ঋণের বিপরীতে ১৬ হাজার ৮শ’ ২৬ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির এমপি পীর ফজুল রহমানের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার রোধে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করছে। এরইমধ্যে বিদেশ হতে পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে অর্থ পাচার বিষয়ক প্রায় ৪০টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তঃসংস্থা টাস্কর্ফোস কাজ করছে।

এমপি বেগম রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বিদ্যমান বিও অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্যে সব বিনিয়োগকারী একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে লেনদেন করেন না। কিছু সংখ্যক বিনিয়োগকারী প্রায়শই লেনদেন করেন, কিছু সংখ্যক বিনিয়োগকারী স্বল্প ও দীর্ঘ বিরতির পর লেনদেন করেন।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজের মূল্যের উত্থান-পতন একটি স্বাভাবিক ঘটনা।

এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত ৯ মাসে বিদেশ থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩ হাজার ৪৩৮ দশমিক ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর