ব্রেকিং:
সবজি বেচেই চলে সংসার প্রশাসনের তৎপরতায় বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল তিন স্কুলছাত্রী ৫০০০ মিটার দৌঁড়ে বিশ্ব রেকর্ড ৯৬ বছরের বৃদ্ধের! আর্থিক সহায়তা পেতেই ট্রাম্পের কাছে মিথ্যাচার করলো প্রিয়া সাহা! কারাগারে মিন্নি মিয়ানমারের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পর্যাপ্ত নয়: জাতিসংঘ বদলি খেলোয়াড় নামানোর নতুন নিয়ম চালু আইসিসির বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান বাণিজ্যে নবযাত্রার সূচনা জাতীয় মৎস্য পুরস্কারে স্বর্ণপদক পেল নৌবাহিনী ওষুধের পাতায় মেয়াদ-মূল্য স্পষ্ট থাকতে হবে: হাইকোর্ট জিম্বাবুয়েকে বহিষ্কার করল আইসিসি রোহিঙ্গা নির্যাতন: আইসিসি’র অনুমতি পেলে তদন্তে নামবে দল ক্রিকইনফোর একাদশেও সাকিব, নেই কোহলি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মিন্নি জেলা হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করার নির্দেশ জঙ্গি-চরমপন্থীদের আবির্ভাব যেন না হয়: ডিসিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাছ উৎপাদনে আমরা প্রথম হতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ রিশান ফরাজী গ্রেফতার ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের স্বজনদের হজ করাবে সৌদি

রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

২৫৬

বেহেস্তের চেয়ে দোজখের সংখ্যা কম যে কারণে

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

যে ব্যক্তি কিয়ামত দিবসে মহান আল্লাহ তায়ালার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং গুনাহের কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতিত আর কোনো ছায়া থাকবে না। সেদিন যারা আল্লাহর আরশের ছায়া পাবে তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহকে স্বরণ করে এবং তার দু’চোখ অশ্রুতে ভিজে যায়।

যখন আপনার নফস গুনাহ করতে চায় তখন অন্তরকে আল্লাহর দৃষ্টির কথা স্বরণ করিয়ে দিন। 

যদি কখনো একা থাকেন আর অন্তর বা নফস আপনাকে গুনাহের দিকে আহ্বান করে তখন অন্তরকে বলুন- মহান আল্লাহ সবই দেখছেন। আল্লাহ আমাকে দেখছেন।

যদি আপনি মনে করেন যে, আল্লাহ আপনাকে দেখছেন না। তাহলে আপনি অনেক বড় কুফুরিতে লিপ্ত। অতিসত্তর তওবা করুন।

আবার যদি আল্লাহ আমার সব কর্মকান্ড দেখছেন এ বিশ্বাস নিয়েও যদি আপনি গুনাহে লিপ্ত হন সেটা হবে আপনার চরম অবাধ্যতা। চরম হঠকারিতা। চরম নির্লজ্জতা।

একবার ভাবুন তো, কাল কিয়ামত দিবসের কঠিন মুহুর্তে আপনাকে যখন আল্লাহর সামনে হাজির করা হবে তখন আপনি এর কী জবাব দেবেন?

মহান আল্লাহ তো আমাদের দোজখে দিতে চান না। যদি চাইতেন তাহলে দোজখের সংখ্যা হতো বেশি। কিন্তু না মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে অধিক পরিমানে ভালোবাসেন এবং ক্ষমা করেন বলেই বেহেস্তের চেয়ে দোজখের সংখ্যা কম!

রবের এ মহৎ ভালোবাসার কথা স্মরণ করে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন, কেন আমরা নিজেদের এভাবে ঠকাচ্ছি? কেন আমরা অকল্পণীয় বিপদকে আহ্বান করছি প্রতিনিয়ত? 

মাত্র দু'দিনের দুনিয়ায় লাগামহীন চলাফেরা এবং মহান রবের অবাধ্য হয়ে কেন পরকালের অনন্ত জীবনকে তুচ্ছজ্ঞান করছি। এটাতো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। 

সেই কঠিনতম দিনটিতে মহান আল্লাহর কাছে কী জবাব দেব? যেদিন আমরা জিজ্ঞাসিত হবো, তার উত্তর আমাদের এখনই ঠিক করে নিতে হবে।

প্রতিটি মুহুর্তে আমাদের ভাবতে হবে- আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে দেখছেন। প্রভু আমাকে দেখছেন। সব কিছুর হিসেব একদিন তার কাছে দিতেই হবে। প্রতিনিয়ত এ ভাবনা যদি অন্তরে লালন করতে পারি তাহলে আমরা পাপ থেকে বিরত থাকতে পারবো, ইনশাআল্লাহ!

আসুন দোয়া করি- হে আমার রব! আমার মালিক। তুমি ক্ষমাশীল। দয়াময় প্রভু। আমি তোমার গোলাম। তোমার গোলামের সন্তান গোলাম। আমাকে মাফ করে দাও। আমাকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দাও। আমাকে কবুল কর, হে বিচার দিবসের মালিক। আমিন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া