ব্রেকিং:
শিক্ষার্থীদের মনের কথা জানতে স্কুলে স্কুলে ‘ইউএনও বক্স’ নার্সারি ব্যবসায় সংসারে হাসি ফোটালেন খলিলুর আমি দিতে এসেছিলাম, নিতে নয়! অবৈধ দখল-দূষণে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী খাল! অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ আ’লীগ নেতার আগাম জামিন পৌর কলেজে পিঠা ও নবীনবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস চিকিৎসায় সেবা কর্ণার স্থাপন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ঝুঁকিপূর্ণ লোহার ব্রিজ দিয়ে চলছে ভারী যানবাহন কক্সবাজার-সেন্টমার্টিনের জাহাজ ভাড়া ১৫ হাজার! স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ১০ আসামির ৮ জনেরই মৃত্যুদণ্ড বহাল ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে বেসিস সফটএক্সপো সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের কন্যাকে স্বামী সম্পর্কে উপদেশ... ‘আমি চাই না বাংলাদেশে এ রোগ ছড়াক, তাই দেশে ফিরবো না’ টাইগারদের আর বিশেষ বিমানে পাকিস্তানে পাঠাবে না বিসিবি উদ্বোধনের আগেই দেবে গেছে কোটি টাকার গণমিলনায়তন

বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৬ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৬০৬

বের হলো কলেজছাত্রীর মৃত্যুর রহস্য!

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের মাস্টার্স পড়ুয়া এক ছাত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেননি, তাকে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশের ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টে এ তথ্যই বের হয়ে এসেছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সদর থানা পুলিশ ওই কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ১২ সেপ্টেম্বর তার বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচণায় অভিযোগে মামলা করেন। 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সোহেল নামে এক যুবক প্রায়ই তার মেয়েকে উত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে বিদেশে গিয়েও ফোনে তাকে উত্যক্ত করা হয়। বিদেশ থেকে ফিরে এসেও সোহেল উত্যক্ত করে। ঘটনার দিনও সোহেল উত্যক্ত করে।

কলেজছাত্রীর বাবা মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, শুরু থেকেই ধারণা করছিলাম আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ কোনোভাবেই সেটা মানতে চাচ্ছিল না। পুলিশের চাপের কারণেই আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করি। পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পেয়ে পুলিশকে জানালেও তারা কর্ণপাত করেননি। মামলার আসামিকে না ধরে উল্টো আমাকে হয়রানি করেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা।

আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়া হয় উল্লেখ করে কলেজছাত্রীর বাবা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় মামলা করেন। ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার পর মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের কাছে মামলাটি হস্তান্তরের আবেদন করেছেন তিনি। 

এতে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে বাদীকে দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করিয়েছেন। এমনকি দুইটি তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে উল্টো বাদীকে হয়রানি করেছেন।

অভিযুক্ত সোহেল মিয়া ওরফে হুসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট এলাকার আক্কাছ মিয়ার ছেলে। ধর্ষণ ও হত্যার শিকার ওই ছাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কলেজ পাড়ার বাসায় ভাড়া থেকে পড়াশুনা করতেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহ আলম বলেন, দুইটি রিপোর্টই আমার হাতে এসেছে। ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টে শরীফাকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। কলেজছাত্রীর গলায় আঙ্গুলের ছাপও রয়েছে। তাকে যে হত্যা করা হয়েছে সেটি স্পষ্ট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অ্যাডিশনাল এসপি (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, বাদী পক্ষ মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে দেয়ার জন্য আবেদন করেছেন। বিষয়টি অনুমোদনের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পাঠানো হয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর