ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

৬৮

বিনামূল্যে সেবা দিচ্ছেন ডা. শাহ আলম

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল ২০২০  

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অসহায় কর্মহীন রোগীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. মো. শাহ আলম। 

টাকা ছাড়া ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) করে দেয়ার পাশাপাশি নিজের টাকায় কিনে দিচ্ছেন ওষুধপত্রও। তিনি প্রতি সপ্তাহে একদিন পৌর শহরের লাল বাজার এলাকার লোকনাথ ফার্মেসিতে বসে বিনামূল্যে অসহায় কর্মহীন অসামর্থবান রোগীদেরকে এ স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন।   

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেডিকেল অফিসার হিসেবে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও, ইউএইচএফপিও থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন হন ডা. মো.শাহ আলম। স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক হওয়ার আগে তিনি নিয়মিতই সময় করে ওই ফার্মেসিতে বসে সেবা দিতেন। 

তিনি রোগীদের কথা চিন্তা করে এখনো নিয়মিত প্রাইভেট চেম্বার করছেন। তবে করোনা পরিস্থিতিতে তিনি কর্মহীন অসামর্থবান রোগীদের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশনের বিপরীতে কোনো টাকা নেন নি। বরং উল্টো তার কাছে আসা রোগীদেরকে টাকা ছাড়া ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) করে দেয়ার পাশাপাশি নিজের টাকায়  ওষুধ কিনে দিচ্ছেন। সপ্তাহ একদিন সকাল থেকে বিকাল পযর্ন্ত সেবা নিতে আসা রোগীদেরকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষধ কিনে দিচ্ছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার খিরাতলা গ্রামের বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে স্বামী কর্মহীন হয়ে পড়ায় সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। এক বেলা খেলে অন্য বেলা খেতে পারছিনা। বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ হয়ে আছেন। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।  এই ডাক্তারের কাছে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধপত্র পেয়েছি। 

উপজেলার মনিয়ন্দ ইউপির মো. শামসুল মিয়া বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়ে কেঁদেই দিলেন। 

তিনি বলেন, দুই মাস যাবত টাকা পয়সা নেই বলে  চিকিৎসা করতে পারি নি। আমার দুঃখের কথা শুনে ডাক্তার ওষুধ লিখে আমাকে কিনেও দিলেন। 

ডা. শাহ আলম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন অসামর্থবান রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে তাদের স্বাস্থ্য সেবা দিতে চেষ্টা করছি। 

২০ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি বাসভবনে ৩০০ অতিথিকে দাওয়াত খাইয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তৎকালীন সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহ আলম। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করা হয়। ডা. শাহ আলমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায়। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর