ব্রেকিং:
নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে জেঠাতো ভাইকে কুপিয়ে আহত বিজয়নগরে মৌলিক সাক্ষরতার উদ্বোতকরণ প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরন নাসিরনগরে ১৫১টি মন্ডবে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা সরাইলে বিদ্যালয় মাঠে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু নাসিরনগরে বৃত্তি পেল ৫১ মেধাবী শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইয়াবাসহ দম্পতি আটক মিয়ানমারের ২১০টি সিমসহ তিন রোহিঙ্গা আটক ‘আমেরিকার সঙ্গে কোনো লেভেলেই আলোচনা হবে না’ সারাবিশ্বের সংবাদকর্মীদের নিয়ে কনফারেন্স হবে ঢাকায় সুস্থ ৯৭ শতাংশ ডেঙ্গু রোগী জামানত রেখে ঋণ দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী দুর্নীতি করলে কেউ পার পাবে না: কাদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের নতুন দল ঘোষণা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিউজিল্যান্ডের সহায়তা কামনা বাংলাদেশের শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক ৩৭ পদক লাভ ‘রাখাইনে থেকে যাওয়া রোহিঙ্গারা গণহত্যার হুমকিতে’ উদ্বোধনের দিনই পদ্মাসেতুতে চলবে ট্রেন: রেলমন্ত্রী বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনসহ একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন আখাউড়ায় নারীসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক বিজয়নগরে ইয়াবাসহ এক যুবক আটক

বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৩ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

৪৭

বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০১৯  

শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হচ্ছে 'বায়োমেট্রিক হাজিরা'। যন্ত্রে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে  শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন। চলতি মাসের মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে হাজিরা যন্ত্র বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশে ৬৫ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক রয়েছেন । সবাইকে এই ডিজিটাল হাজিরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন জানান, শিক্ষকদের জবাবদিহির মধ্যে এনে বিদ্যালয়ে শতভাগ পাঠদান নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্লিপের টাকা থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষই হাজিরা যন্ত্র (ডিভাইস) কিনবে। উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা এটি দেখভাল করবেন।

তিনি জানান, অনেক উপজেলায় এরই মধ্যে ডিভাইসটি কেনা হয়েছে, অনেক উপজেলায় কেনা হচ্ছে। এটি বসানোর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে যে কবে কোন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। কোন শিক্ষক বিলম্বে বিদ্যালয়ে হাজির হন, সেটিও জানা যাবে। সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমভেদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। হাওর অঞ্চলে ধান কাটার সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে গরহাজির থাকেন। আবার পার্বত্য অঞ্চলে জুমচাষের সিজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায় বিদ্যালয়ে। এর বাইরে সামগ্রিকভাবে সারাদেশে অনেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। অনেকে দপ্তরির মাধ্যমে হাজিরা খাতা বাড়িতে এনে সই করেন। অনেকে আবার দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে না গিয়ে ভাড়া করা শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে   ক্লাস করিয়ে থাকেন। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই মূলত বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

সূত্র জানায়, গত মার্চে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পর ২৮ এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দেয়া হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. এনামুল কাদের খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তাদের স্লিপ (School Level Improvement Plan- বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা) ফান্ড থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। বিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ দায়িত্বে এই মেশিন জুনের মধ্যেই কিনবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর