ব্রেকিং:
নবীনগর আসনে তৃনমূলে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ বাঁশের সাঁকোই ভরসা তাদের নবীনগর পৌরসভায় ৯০ প্রার্থীর ২১ জনের মনোনয়ন বাতিল! পণ্যসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নাসিরনগরে বার্ষিক পরিকল্পনা প্রনয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত কসবা বর্ডার বাজারে ক্রেতাদের ভিড়-টিকেট সংখ্যা বৃদ্ধির দাবী মটোরসাইকেল দূর্ঘটনায় রেফাতুল ইসলাম উদয় এর অকাল মৃত্যু সরাইলে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে সরাইল সদর ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন বিজয়নগরে গণধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিক মো:বাহারুল ইসলাম মোল্লাকে শুভেচ্ছা পাকিস্তানের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়া স্লোগান জয় বাংলার ইতিহাস বিজয়নগরে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত নবীনগরে শিশু ফাতেমার খুনি ধর্ষকের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন গুরুদাসপুরে বিনামূল্যে অপারেশন বারের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের এমসিকিউ দিতে হবে না প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া রেজওয়ান বস্ত্রখাতের রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ডিসি কাণ্ডে কঠোর অবস্থানে সরকার মন্ত্রীর ব্যানার ছিটকে পড়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার তরুণীর মৃত্যু

মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

২৪৯

বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন ২ নেতা!

প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০১৯  

যোগ্যতার অবমূল্যায়ন, রাজনীতির নামে শোষণ ও চাঁদাবাজিতে বিরক্ত হয়ে বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার পোদ্দার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যানের অফিসে জাপা চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন বিএনপির এই নেতারা। তবে দুর্দিনে দলত্যাগ করায় স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনারও শিকার হচ্ছেন বিএনপির এই দুই নেতা। যদিও বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টির সাথে রাজনীতি করার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন আবদুস সাত্তার পোদ্দার ও সাখাওয়াত হোসেন।

হঠাৎ বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদানের বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার পোদ্দার বলেন, বিশ বছরের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। দলের জন্য অনেক কিছু করেছি। নিয়মিত চাঁদা দিয়েছি। মিছিল-মিটিং করেছি, জেল-জুলুম সহ্য করেছি। কিন্তু যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন পাইনি। সর্বশেষ কমিটিতে সভাপতি হওয়ার যোগ্য সত্ত্বেও টাকার কাছে হেরে গেলাম। কেন্দ্রে টাকা পাঠিয়ে আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, সান্ত্বনা পুরষ্কার হিসেবে আমাকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতির পদ দেয়া হলো। যা আমার জন্য অপমানজনক। মেধা, শ্রম ও যোগ্যতার বিচারে আমাকে ঠকিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। এছাড়া দলের কোন কার্যক্রম নেই উপজেলায়। পুরো কুমিল্লা জেলায় বিএনপির রাজনীতিতে যেন মরচে পড়েছে। তাই আমি বিএনপি ছেড়ে দিয়েছি। এখন জাতীয় পার্টি রাজনীতি করে জনগণের সেবা করতে চাই।

এদিকে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি রাবেয়া চৌধুরী জানান, শুনেছি- আবদুস সাত্তার ও সাখাওয়াত হোসেন বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন। আসলে এই দুজন সুবিধাবাদী নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তারা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এলাকায় সিন্ডিকেট গড়ে নিত্য নতুন ফন্দিতে অর্থ উপার্জন করাই তাদের পেশা। ইদানীং তাদের বাটপারি প্রচার হওয়ায় তারা দল ছেড়ে নতুন দলে ভিড়েছেন। এরা যেকোন রাজনৈতিক দলের জন্য বিষাক্ত কীট স্বরূপ। এদের কারণে বিএনপির রাজনীতি আজ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর