ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

১৫৬

বাঞ্ছারামপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে দেড় শতাধিক গাছ কর্তন

প্রকাশিত: ৭ মার্চ ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাঞ্ছারামপুরে, পূর্ব শত্রুতার জেরধরে প্রায় দেড় শতাধিক গাছ কর্তন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ব্যাপারে তেজখালী গ্রামের কামাল মিয়ার স্ত্রী সাথী বেগম, বাদী হয়ে ৮জনকে আসামী করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন তেজখালী গ্রামের মরহুম কাজী অলেক মিয়ার ছেলে কাজী বাদল মিয়া, কাজী বাবুল মিয়া, কাজী লিটন মিয়া, কাজী রিপন, মরহুম সুলতান মিয়ার ছেলে আমির মিয়া, মোহন মিয়ার ছেলে অলি মিয়া, জোনাব আলীর ছেলে হাসেম মিয়া এবং আজিজুল ইসলামের ছেলে রুবেল মিয়া। 
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, তেজখালী গ্রামের সামছু মিয়া ও তার ছেলেরা মরহুম কাজী আলেক মিয়ার ভাই, মৃত আব্দুল মালেকের কাছ থেকে ১০ বছর পূর্বে ৬৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। এই জায়গা নিয়ে আলেক মিয়ার ছেলেদের সাথে সামছু মিয়ার ছেলেদের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে তার ভাই ও সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রায় একশত ফুট লম্বা দেয়াল ভাংচুর করে এবং কাঁঠাল, জাম সহ বিভিন্ন প্রকারের প্রায় দেড়শতাধিক গাছ কর্তন করে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এস.আই খাজা মাইনউদ্দিন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাজী বাবুল মিয়া বলেন, ‘‘আমার চাচা কাজী মালেক মিয়া জায়গাটি সামছু মিয়ার ছেলেদের কাছে বিক্রি করলেও, আমরা ওয়ারিশ হিসাবে এই জায়গায় আমাদের অংশীদারিত্ব আছে। এই জায়গা নিয়ে মালেক চাচার সাথে করা মামলা এখনও চলমান রয়েছে।’’
এ বিষয়ে মো: সামছু মিয়া বলেন, “আমি মালেক মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে জায়গার মালিক। কিন্তু অলেক মিয়ার ছেলেরা দা, লাঠি-সোটা ও হাতুরি নিয়ে এসে আমার কাঠের বাগান কাটছে এবং আমার বিশাল দেয়াল ভেঙ্গে দিয়ে গেছে এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।”
এই বিষয়ে নবীনগর সার্কেল এএসপি চিত্ত রঞ্জন পাল বলেন,‘‘ তেজখালী গ্রামের বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত করে যারা দোষী হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর