ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

১১৪০

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

টাকা আত্মসাৎ মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক এস এম গিয়াস উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

একইসঙ্গে ওই আসামিকে ৬৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।

এদিন, আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে এই মামলায় অন্য দুই আসামি মকবুল হোসেন ও মহিউদ্দিন মৃধার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন। এছাড়া মামলাটি চলার সময় একই বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আজিজুল হক এবং জনৈক নুরুল হুদা মারা যাওয়ায় তাদেরকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হোসেন।

আসামি এসএম জিয়াস উদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখায় কর্মরত থেকে নিজ নামে একটি হিসাব খুলে প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের নামে ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে ২৫ লাখ ২১ হাজার ৮শ টাকা, সাইদুর রহমান নামে জনতা ব্যাংকে হিসাব খুলে একইভাবে ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬শ টাকা, আতাউর মাসুদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং আব্দুল ওয়াজেদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের নামে ১৯৯৬ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত হস্তান্তর করে আত্মসাত করেন।

এসব অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৫ মে রাজধানীর মতিঝিল থানায় ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখার যুগ্ম ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন একটি মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর ২০০৩ সালের ৫ জানুয়ারি সিআইডির তৎকালীন ইন্সপেক্টর মকবুল আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটিতে ২০০৬ সালের ৯ নভেম্বর ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিশেষ জজ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির বিচারকালে আদালত বিভিন্ন সময়ে ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আদালত বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর