ব্রেকিং:
গুজবে কান না দিতে পুলিশের অনুরোধ মহাসড়কে অ্যালকোহল ডিটেক্টর চালু জালের সাথে মানুষের শত্রুতা! চট্রগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেয়ালের মাংসকে খাসির মাংস বলে বিক্রি, অতঃপর... `সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন` নৈরাজ্য তৈরির জন্যই ভোলায় সংঘর্ষ স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে মামলা দায়ের সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান আটক বয়স বাড়িয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে, কারাগারে প্রেমিক প্রভাবশালীর দাপটে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায় দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্লেড দিয়ে কেটে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ মন্ত্র প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা ক্রিকেটারদের ধর্মঘট নিয়ে যা বললেন গাঙ্গুলি বান্দরবানে টিয়েন্স গ্রুপের তিন যুবক আটক কে জিতবেন ব্যালন ডি’অর? ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধের মহৌষধ! সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেফতারে অনুমতি নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

১০১৯

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

টাকা আত্মসাৎ মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক এস এম গিয়াস উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

একইসঙ্গে ওই আসামিকে ৬৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।

এদিন, আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে এই মামলায় অন্য দুই আসামি মকবুল হোসেন ও মহিউদ্দিন মৃধার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন। এছাড়া মামলাটি চলার সময় একই বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আজিজুল হক এবং জনৈক নুরুল হুদা মারা যাওয়ায় তাদেরকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হোসেন।

আসামি এসএম জিয়াস উদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখায় কর্মরত থেকে নিজ নামে একটি হিসাব খুলে প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের নামে ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে ২৫ লাখ ২১ হাজার ৮শ টাকা, সাইদুর রহমান নামে জনতা ব্যাংকে হিসাব খুলে একইভাবে ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬শ টাকা, আতাউর মাসুদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং আব্দুল ওয়াজেদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের নামে ১৯৯৬ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত হস্তান্তর করে আত্মসাত করেন।

এসব অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৫ মে রাজধানীর মতিঝিল থানায় ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখার যুগ্ম ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন একটি মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর ২০০৩ সালের ৫ জানুয়ারি সিআইডির তৎকালীন ইন্সপেক্টর মকবুল আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটিতে ২০০৬ সালের ৯ নভেম্বর ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিশেষ জজ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির বিচারকালে আদালত বিভিন্ন সময়ে ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর