ব্রেকিং:
টিউশনির টাকায় গুজবের বিরুদ্ধে ৩১ দিন হাঁটলেন সাইফুল কন্ডিশনিং ক্যাম্পেই যাত্রা শুরু নতুন দুই কোচের প্রথম সমকামী ক্রিকেটার হিসেবে মা হচ্ছেন স্যাটারওয়েট তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি কাদেরের স্মার্ট কার্ড অনলাইনে সংশোধন করবেন যেভাবে একজনের কিডনি ও লিভারে বাঁচলো তিনজনের প্রাণ পিতলের পুতুলকে সোনার মূর্তি বলে বিক্রি করে, চার জীনের বাদশা আটক বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার সেনাপ্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরে মোদির আমন্ত্রণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আজ ভয়াল ২১ আগস্ট পানিবণ্টন সমস্যার সমাধান হবে: জয়শঙ্কর কুকুরের মুখ থেকে নবজাতককে বাঁচালেন পুলিশ কর্মকর্তা রক্তদানে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের আগ্রহ প্রকাশ ভারতের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী কমছে মিন্নির দোষ স্বীকার নিয়ে এসপির মন্তব্য জানতে চান হাইকোর্ট

বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৬ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৯৭৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

টাকা আত্মসাৎ মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক এস এম গিয়াস উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

একইসঙ্গে ওই আসামিকে ৬৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।

এদিন, আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে এই মামলায় অন্য দুই আসামি মকবুল হোসেন ও মহিউদ্দিন মৃধার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন। এছাড়া মামলাটি চলার সময় একই বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আজিজুল হক এবং জনৈক নুরুল হুদা মারা যাওয়ায় তাদেরকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হোসেন।

আসামি এসএম জিয়াস উদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখায় কর্মরত থেকে নিজ নামে একটি হিসাব খুলে প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের নামে ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে ২৫ লাখ ২১ হাজার ৮শ টাকা, সাইদুর রহমান নামে জনতা ব্যাংকে হিসাব খুলে একইভাবে ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬শ টাকা, আতাউর মাসুদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং আব্দুল ওয়াজেদ নামে হিসাব খুলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব ভুয়া প্রেমেন্ট অর্ডারের নামে ১৯৯৬ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত হস্তান্তর করে আত্মসাত করেন।

এসব অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৫ মে রাজধানীর মতিঝিল থানায় ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারী হিসাব শাখার যুগ্ম ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন একটি মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর ২০০৩ সালের ৫ জানুয়ারি সিআইডির তৎকালীন ইন্সপেক্টর মকবুল আহমেদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটিতে ২০০৬ সালের ৯ নভেম্বর ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিশেষ জজ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির বিচারকালে আদালত বিভিন্ন সময়ে ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর