ব্রেকিং:
ব্রিটেনের প্রধান গির্জায় কোরআন তিলাওয়াতের বিরল ঘটনা স্মার্টফোনের বদলি হিসেবে ‘স্মার্ট গ্লাস’ আনছে ফেসবুক এডিআর বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক আওয়ামী লীগের নেতারা দুর্নীতি করলে ছাড় নয়: কাদের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতেমা ভাবির পরকীয়া দেখে ফেলায় জীবন দিতে হলো দেবরকে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার হুমকি ইরানের বেশি খাস জমি উদ্ধারকারী ডিসিকে পুরস্কৃত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী বকেয়া পরিশোধে সময় পাচ্ছে রবি-গ্রামীণফোন ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আন্তরিক সরকার: প্রধানমন্ত্রী আজ থেকে টানা তিন দিনের ছুটিতে আখাউড়া স্থল বন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থী সম্পৃক্তকরণ বিষয়ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সরাইলে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির জনসচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে জেঠাতো ভাইকে কুপিয়ে আহত বিজয়নগরে মৌলিক সাক্ষরতার উদ্বোতকরণ প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরন নাসিরনগরে ১৫১টি মন্ডবে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা সরাইলে বিদ্যালয় মাঠে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু নাসিরনগরে বৃত্তি পেল ৫১ মেধাবী শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ১৯ মুহররম ১৪৪১

২৬

বসবাসের অযোগ্য গ্রহগুলোর ‘বিচিত্র’ আবহাওয়া

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

চাঁদ কিংবা মঙ্গলগ্রহে মানুষের থাকার বন্ধোবস্ত করতে ব্যস্ত বিজ্ঞানীরা। খুব কম সময়ের মধ্যেই এসব গ্রহে মানুষের বসতি গড়ে উঠবে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের। কিন্তু কয়েকটি গ্রহ নিয়ে যেন বিজ্ঞানীদের তেমন কোনো মাথাব্যথাই নেই! কারণ সেসব গ্রহে থাকার তো দূরের কথা, পা রাখারও সাহস করছেন না কেউ। এরমধ্যে শুক্র, নেপচুন ও এইচডি১৮৯৭৩৩বি অন্যতম। সেগুলোর আবহাওয়া কেমন জেনে নেয়া যাক-

 

শুক্র

শুক্র

শুক্র

পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহটির আবহাওয়া নিয়েই বেশি আক্ষেপ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। কারণ অন্য গ্রহের তুলনায় শুক্র একটি বিরল গ্রহ। সৌরজগতে এটিই সবচেয়ে বসবাসের অনুপযোগী। শুক্র গ্রহে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ৯৬.৫ শতাংশ। বাকি অংশটুকু নাইট্রোজেন, জলীয়বাষ্প, আর্গন, কার্বন মনোক্সাইড প্রভৃতি ‍দিয়ে গঠিত।

বিজ্ঞানীদের মতে, এক সময় শুক্র গ্রহেও পৃথিবীর মতোই পরিবেশ ছিল। পানি, সমুদ্র ছিল। জীবনের অস্তিত্বও ছিল। কিন্তু এখন শুক্র গ্রহে বায়ুমণ্ডলের চাপ পৃথিবীর চেয়ে ৯০ গুণ বেশি। সেখানকার তাপমাত্রা ৮৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইটে পৌঁছতে পারে। সুতরাং কেউ যদি শুক্র গ্রহে পা রাখে এক সেকেন্ডেই সেদ্ধ হয়ে যাবেন। শুধু তাই নয়, নভোচারীর পোশাকও টিকবে না। এ কারণে কেউই এই গ্রহে যাওয়ার চিন্তাও করতে পারেনি।

সূর্যের ওপর দিয়ে কোনো গ্রহের অতিক্রম করার বিষয়টি একটি দুর্লভ মহাজাগতিক ঘটনা। কিন্তু শুক্র সূর্যের সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী একমাত্র গ্রহ! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, শুক্র গ্রহে তুষারপাত হয়, বৃষ্টি পড়ে। কিন্তু এখানকার তুষারপাত হচ্ছে ধাতব, যেটি কঠিন পাথর দিয়ে তৈরি। আর বৃষ্টি হচ্ছে ধ্বংসাত্মক সালফিউরিক অ্যাসিড। দুটোই পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বা আগেই বাষ্প হয়ে মিশে যায়।

 

নেপচুন

নেপচুন

নেপচুন

নেপচুন হচ্ছে শুক্র গ্রহের অনেকটা উল্টো পরিবেশের। এটি পৃথিবীর চেয়ে সবচেয়ে দূরের গ্রহ। এর কেন্দ্রীয় অংশ পাথর দিয়ে গঠিত। উপরিতল বরফে ঢাকা। মিথেনের আধিক্যের কারণে এই গ্রহকে দূর থেকে নীল রঙের দেখায়। এর কেন্দ্রের তাপমাত্রা পাঁচ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে উপরিতলের গড় তাপমাত্রা -২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিজ্ঞানীদের ধারণা এর উপরিতলের বাতাসের গতি ঘণ্টায় প্রায় ২১০০ কিলোমিটার।

নেপচুনই সৌর জগতের সবচেয়ে শীতলতম গ্রহ। তবে এখন পর্যন্ত নেপচুন গ্রহের মধ্যে ঢুকে তার সঠিক তাপমাত্রা রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। সূর্য থেকে এই গ্রহের দুরত্ব এর শীতল হওয়ার একটি কারণ। তবে সৌরজগতের মধ্যে নেপচুনের বাতাস সবচেয়ে বিধ্বংসী। কারণ এখানকার উপরিভাগ অনেকটা সমতল। বিজ্ঞানীদের ধারণা, নেপচুনের উপরিভাগে যাওয়া মাত্রই যে কেউ সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডায় জমে যাবেন।

নেপচুনের উপগ্রহের সংখ্যা ১৩টি। এর ভিতরে সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম টাইটান। নেপচুনের ভর পৃথিবী থেকে ১৭ গুণ বেশি আর সমগ্র বৃহস্পতির মাত্র ৫ শতাংশ। নেপচুন গ্রহটির উপরিভাগের বায়ুমণ্ডল বেশিরভাগই দখল করে রয়েছে হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম।

 

এইচডি১৮৯৭৩৩বি

এইচডি১৮৯৭৩৩বি

এইচডি১৮৯৭৩৩বি

নামটি কি প্রথম শুনছেন? হয়তো! কিন্তু গ্রহটিকে বিজ্ঞানীরা ‘ব্লু মার্বেল’ বলে ডাকেন। এবার চেনা লাগছে? এইচডি১৮৯৭৩৩বি নামের সুবিশাল গ্রহটি মানুষের বসবাসের একেবারেই অনুপযোগী। এতে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়। আর সেই বৃষ্টির সঙ্গে গলিত কাচ ঝরে। সেখানকার বায়ুমণ্ডল নীলচে দেখায়।

নিজ সূর্যের অতি নিকটে অবস্থানের কারণে গ্রহটির তাপমাত্রা কখনো এক হাজার ৭০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছে যায়। বৃহস্পতির প্রায় সমান আকৃতির গ্রহটির বায়ুমণ্ডল বেশ সমৃদ্ধ। এ ধরনের গ্রহ সাধারণত নিজ সূর্যের খুব কাছ দিয়ে প্রদক্ষিণ করে এবং অনেক সময় সেই সূর্যেই বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই গ্রহে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় আট হাজার কিলোমিটার এবং এটি পৃথিবীর তুলনায় ২০ গুণ বেশি সূর্যের কাছাকাছি। এখানে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ১৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অর্থাৎ গলিত লাভার মতো গরম।

এক গবেষণায় জানা গেছে, গ্রহটি খুব দ্রুত কমে যাচ্ছে। এর বায়ুমণ্ডল প্রতি সেকেন্ডে ২২ কোটি পাউন্ড থেকে ১৩০ কোটি পাউন্ড হারাচ্ছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর