ব্রেকিং:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বিদায় জুয়া খেলা অবস্থায় চারজন আটক বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ চোরাকারবারী গ্রেফতার ৭ লক্ষাধিক টাকা আবর্তক ঋণ বিতরণ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট আত্মীয় পরিচয়ে প্রতারণা, অতঃপর.. শেখ হাসিনা তিতাস সেতু’র অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বাঁশের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে পাকা ব্রিজ! মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস বড়শিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজির মাছ! আখের লালি তৈরিতে মাতোয়ারা বিষ্ণপুর ফেব্রুয়ারিতেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজ নোট-গাইড পড়ানো ও বাড়তি ফি আদায় বন্ধের নির্দেশ আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ পণ্য কিনে প্রতারিত হলে অভিযোগ করুন এভাবে সালাত ও জাকাতে অলসতাকারীর পরিণতি ১ম পর্ব নামের মিল থাকায় জেল খাটছেন চা দোকানি বাংলাদেশের সফরের আগে লাহোরে ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার অধ্যক্ষের নগ্ন ভিডিও ফাঁস, ফেসবুকে তোলপাড়

বৃহস্পতিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

১৯

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার দুপুরে স্থানীয় এক হকারের কাছে বিক্রির সময় ১ শ ২৫ কেজি সরকারি বই এবং  ১ শ ১৫ কেজি পরীক্ষার খাতা আটক করা হয়। প্রতি কেজি বই ৮ টাকা ও খাতা ৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।  

উপজেলার ৭ নম্বর বিরিশিরির দক্ষিণ ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম সরকারি বইগুলো অবৈধ ভাবে বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সদস্যরা আটক প্রাথমিক শাখার সরকারি বই ও পরীক্ষার খাতাগুলো নিয়ে আসেন।

১৯৬৩ সালে দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের আওতায় আনে সরকার। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ শ ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।  

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু বই নয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজসে বিদ্যালয়ের চত্বরের গাছ থেকে শুরু করে নানা রকম দুর্নীতি করে আসছেন তিনি। শিক্ষার্থী বই চাইলেই বলেন, বই নেই।  

প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বইগুলো পড়ে আছে। ফলে কক্ষ সবসময় বন্ধ করে রাখতে হয়। তাই বই, খাতাগুলো বিক্রি করেছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরকারি বই বিক্রির কোনো অনুমতি নেই। তিনি যে কাজটি করেছেন তা পুরোপুরি অন্যায়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর