ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭

  • || ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৬৯

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার দুপুরে স্থানীয় এক হকারের কাছে বিক্রির সময় ১ শ ২৫ কেজি সরকারি বই এবং  ১ শ ১৫ কেজি পরীক্ষার খাতা আটক করা হয়। প্রতি কেজি বই ৮ টাকা ও খাতা ৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।  

উপজেলার ৭ নম্বর বিরিশিরির দক্ষিণ ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম সরকারি বইগুলো অবৈধ ভাবে বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সদস্যরা আটক প্রাথমিক শাখার সরকারি বই ও পরীক্ষার খাতাগুলো নিয়ে আসেন।

১৯৬৩ সালে দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের আওতায় আনে সরকার। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ শ ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।  

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু বই নয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজসে বিদ্যালয়ের চত্বরের গাছ থেকে শুরু করে নানা রকম দুর্নীতি করে আসছেন তিনি। শিক্ষার্থী বই চাইলেই বলেন, বই নেই।  

প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বইগুলো পড়ে আছে। ফলে কক্ষ সবসময় বন্ধ করে রাখতে হয়। তাই বই, খাতাগুলো বিক্রি করেছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরকারি বই বিক্রির কোনো অনুমতি নেই। তিনি যে কাজটি করেছেন তা পুরোপুরি অন্যায়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সারাবাংলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর