ব্রেকিং:
গুজবে কান না দিতে পুলিশের অনুরোধ মহাসড়কে অ্যালকোহল ডিটেক্টর চালু জালের সাথে মানুষের শত্রুতা! চট্রগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেয়ালের মাংসকে খাসির মাংস বলে বিক্রি, অতঃপর... `সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন` নৈরাজ্য তৈরির জন্যই ভোলায় সংঘর্ষ স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে মামলা দায়ের সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান আটক বয়স বাড়িয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে, কারাগারে প্রেমিক প্রভাবশালীর দাপটে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায় দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্লেড দিয়ে কেটে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ মন্ত্র প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা ক্রিকেটারদের ধর্মঘট নিয়ে যা বললেন গাঙ্গুলি বান্দরবানে টিয়েন্স গ্রুপের তিন যুবক আটক কে জিতবেন ব্যালন ডি’অর? ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধের মহৌষধ! সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেফতারে অনুমতি নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

৬০

পুলিশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০১৯  

চট্টগ্রাম নগরে তিনদিন ধরে হোটেলে আটকে রেখে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ওই তরুণীকেও। 

সোমবার রাতভর নগরের ডবলমুরিং থানার ঝর্ণাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার ভাটিরটেক গ্রামের মালেক বেপারীর বাড়ির আবদুল মালেকের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন রাজু ও  একই থানার পূর্ব শোলাকিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোহাব্বত আলী। এদের মধ্যে রাজু টেন্ডলের (ট্রাফিক পুলিশের হয়ে গাড়ি থেকে চাঁদা তোলার কাজ) কাজ করেন ও ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসের সামনে টং দোকান রয়েছে মোহাব্বত আলীর।

ডবলমুরিং থানার উপ পরিদর্শক অর্ণব বড়ুয়া জানান, ওই তরুণী কেইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রাজুর সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। নিজের সঙ্গে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় আছে জানিয়ে রাজু তাকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান। এছাড়াও তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। তরুণীটি বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হলে তাকে আগ্রাবাদের চৌমুহুনী হোটেল হক টাওয়ারের ৪০৬ নং কক্ষে নিয়ে আসেন। সেখানে ৭ জুলাই পর্যন্ত আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করেন রাজু। ওই তরুণীর বিয়ের জন্য চাপাচাপি করলে মোহাব্বতকে ডেকে এনে তার সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে বাসায় নিয়ে যেতে বলে। সেখানে বিয়ে হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন রাজু। মোহাব্বত ওই তরুণীকে মিস্ত্রিপাড়ার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে কয়েকবার যৌন হয়রানি করেন মোহাব্বত। ওইদিন সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে আসেন ওই তরুণী। পরদিন তার ফেলে আসা জিনিসপত্রের জন্য মোহাব্বতের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মোহাব্বত তাকে ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ আসতে বলেন। ওই তরুণী সেখানে আসলে তাকে নিয়ে ঝর্ণাপাড়ার নাহার বিল্ডিংয়ের নিচতলায় স্ত্রী পরিচয়ে রেখে মোহাব্বত চলে যান।

তিনি জানান, এরপর ওই তরুণী বাসা থেকে বের হয়ে ভবনের মালিককে জানালে মালিক পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। এরপর ডবলমুরিং থানার ঝর্ণাপাড়া এলাকা থেকে মোহাব্বতকে ও চারিয়াপাড়া এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। 

নগর পুলিশের ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার আশিকুর রহমান বলেন, ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর