ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭

  • || ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৭৭

পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২০  

পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় (ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর) প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর বুধবার সকাল ১০টায় এ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে স্বাক্ষর করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর টানা দুইদিন পিলখানা হত্যকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ১৫২ আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির রায় বহাল রাখা হয়। একইসঙ্গে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চারজনকে খালাস দেয়া হয়। 

অন্যদিকে এ মামলার অন্যতম আসামি বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু হাইকোর্টের বিচার চলাকালীন সময়ে মারা যান। পাশাপাশি বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জন আসামির মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এদের মধ্যে দুইজন আসামির মৃত্যু এবং ১২ জন আসামিকে খালাস দেয়া হয়।

এছাড়াও জজ আদালতে খালাস পাওয়া ৬৯ আসামির মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলায় ৪ জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ জনকে খালাসের বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখেছিলেন হাইকোর্ট।

২০১৫ সালে এ মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়। এই বেঞ্চে ৩৭০ কার্যদিবস আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি হয়।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের সদর দফতরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। বিচার হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কাছে আলিয়া মাদরাসা মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী এজলাসে। ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আদালত বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর