ব্রেকিং:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বিদায় জুয়া খেলা অবস্থায় চারজন আটক বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ চোরাকারবারী গ্রেফতার ৭ লক্ষাধিক টাকা আবর্তক ঋণ বিতরণ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট আত্মীয় পরিচয়ে প্রতারণা, অতঃপর.. শেখ হাসিনা তিতাস সেতু’র অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বাঁশের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে পাকা ব্রিজ! মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস বড়শিতে ধরা পড়ল ১০০ কেজির মাছ! আখের লালি তৈরিতে মাতোয়ারা বিষ্ণপুর ফেব্রুয়ারিতেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজ নোট-গাইড পড়ানো ও বাড়তি ফি আদায় বন্ধের নির্দেশ আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ পণ্য কিনে প্রতারিত হলে অভিযোগ করুন এভাবে সালাত ও জাকাতে অলসতাকারীর পরিণতি ১ম পর্ব নামের মিল থাকায় জেল খাটছেন চা দোকানি বাংলাদেশের সফরের আগে লাহোরে ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার অধ্যক্ষের নগ্ন ভিডিও ফাঁস, ফেসবুকে তোলপাড়

বৃহস্পতিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

১৯

পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২০  

পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় (ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর) প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর বুধবার সকাল ১০টায় এ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে স্বাক্ষর করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর টানা দুইদিন পিলখানা হত্যকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ১৫২ আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির রায় বহাল রাখা হয়। একইসঙ্গে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চারজনকে খালাস দেয়া হয়। 

অন্যদিকে এ মামলার অন্যতম আসামি বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু হাইকোর্টের বিচার চলাকালীন সময়ে মারা যান। পাশাপাশি বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জন আসামির মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এদের মধ্যে দুইজন আসামির মৃত্যু এবং ১২ জন আসামিকে খালাস দেয়া হয়।

এছাড়াও জজ আদালতে খালাস পাওয়া ৬৯ আসামির মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলায় ৪ জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ জনকে খালাসের বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখেছিলেন হাইকোর্ট।

২০১৫ সালে এ মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়। এই বেঞ্চে ৩৭০ কার্যদিবস আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি হয়।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের সদর দফতরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। বিচার হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কাছে আলিয়া মাদরাসা মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী এজলাসে। ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর