ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

১৪৭

পিএসসিতে প্রক্সি, ১৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পঞ্চম শ্রেণির সমাপনীতে (পিএসসি) অন্যদের দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর অভিযোগে ১৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া প্রক্সি দিতে আসা শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও দুই স্কুল শিক্ষিকাকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সকালে গণিত পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার তুলাই শিমুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ জালিয়াতি ধরা পড়ে। ওই কেন্দ্রে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের সাতটি একই এলাকার আনন্দ স্কুলের ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৯ জনের হয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার রেইনা, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেন।

তুলাই শিমুল কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ও তুলাই শিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম বলেন, এক শিক্ষার্থীর হাতের লেখা সুন্দর দেখে কক্ষ পরিদর্শক তার প্রসংশা করেন। তখন অন্য শিক্ষার্থীরা জানায় ওই পরীক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। বিষয়টি তিনি কেন্দ্র সচিবকে জানান। পরে খোঁজ নিয়ে দুটি কক্ষে ১৯ জন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায় যারা প্রক্সি দিচ্ছে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, প্রক্সি পরীক্ষার খবর পেয়ে ওই স্কুলে যাই। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ১৯ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করি। সেই সঙ্গে প্রক্সি দিতে আসা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এ সময় ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা দুই শিক্ষককে সাথী আক্তার ও পপি আক্তারকে কর্তব্যে অবহেলার জন্য ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর