ব্রেকিং:
কারা থাকছে আখাউড়ায় ছাত্রলীগের কমিটিতে সুশাসনের জন্য দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায় সরাইলে অপপ্রচার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ বিএনপি নেতা দুদুর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা বিএনপি’র পকেট কমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ ও ঝাঁড়ু মিছিল ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মুসলিম যাত্রী থাকায় আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে বিল ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুঁশিয়ারি তিন স্পা সেন্টার থেকে ১৬ নারী ও ৩ পুরুষ আটক দেশে বেড়েই চলেছে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা শাবিপ্রবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের উদ্যোগের ঘাটতি নেই ক্যাসিনো চালাতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেল স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে আওয়ামী লীগ মাদক ব্যবসায়ীদের চেনার উপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১১ জন খেলাঘরের জাতীয় পরিষদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে অভিযানের নেপথ্যে করা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় প্রাণহানির সম্ভাবনা

সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

১২৬১

পান বিক্রি করে ছেলেকে কনস্টেবল বানালেন মা

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

আট বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন যশোরের মনিরামপুরের কদমবাড়িয়া গ্রামের শিউলি বেগম। একমাত্র ছেলেকে নিয়েই স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। এবার স্বি স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। ১০৩ টাকায় কনস্টেবল হয়ে বিধবা মায়ের মুখে হাসি ফোটালেন মনিরুল ইসলাম।

যশোরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাওয়া ১৯৩ জনের মধ্যে মনিরুল একজন। ২৬ জুন এসপি মঈনুল হক চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করেন। সে তালিকায় ৮৬ নাম্বার নামটি মনিরুল ইসলামের।

শিউলি বেগম বলেন, আট বছর আগে গাছ কাটতে গিয়ে তার স্বামী রফিকুল ইসলাম মারা যান। তখন মনিরুল চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। অনেক কষ্টে ছেলেকে মানুষ করেছি। গ্রামবাসী ও ভাইয়েরা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। স্বামীর ছোট একটা পান দোকান ছিলো। সেই দোকানের আয় দিয়েই মনিরুলকে এইচএসসি পাস করিয়েছি। স্বপ্ন ছিলো, ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখবো। আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

 

 

মনিরুল ইসলাম বলেন, পড়াসোনার ফাঁকে মায়ের সঙ্গে দোকানে বসতাম। মাঝেমধ্যে মাছ ধরে বিক্রি করতাম, রাজমিস্ত্রীর হেলপার হিসেবেও কাজ করেছি। তবুও হাল ছাড়িনি। আজ মায়ের মুখে হাসি ফোঁটাতে পেরে আমি অনেক খুশি।
 
শিউলি বেগম আরো বলেন, আমার ছেলেটা বিনা টাকায় পুলিশে চাকরি পাইছে তাতে আমি মহা খুশি। এসপি স্যার ছেলেটারে চাকরি দেছে। তার জন্নি আমি প্রাণ ভরে দোয়া করি। তার হাত দিয়ে যেন আমার মত দুঃখিনী মায়েদের আশা পূরণ হয়।

ইউপি সদস্য তাইজুল ইসলাম মিলন বলেন, মনিরুল ভালো ছেলে, ছাত্র হিসেবেও মেধাবী। তার পড়াশোনার জন্য আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। সে চাকরি পাওয়ায় গ্রামের সবাই খুশি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর