ব্রেকিং:
সবজি বেচেই চলে সংসার প্রশাসনের তৎপরতায় বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল তিন স্কুলছাত্রী ৫০০০ মিটার দৌঁড়ে বিশ্ব রেকর্ড ৯৬ বছরের বৃদ্ধের! আর্থিক সহায়তা পেতেই ট্রাম্পের কাছে মিথ্যাচার করলো প্রিয়া সাহা! কারাগারে মিন্নি মিয়ানমারের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পর্যাপ্ত নয়: জাতিসংঘ বদলি খেলোয়াড় নামানোর নতুন নিয়ম চালু আইসিসির বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান বাণিজ্যে নবযাত্রার সূচনা জাতীয় মৎস্য পুরস্কারে স্বর্ণপদক পেল নৌবাহিনী ওষুধের পাতায় মেয়াদ-মূল্য স্পষ্ট থাকতে হবে: হাইকোর্ট জিম্বাবুয়েকে বহিষ্কার করল আইসিসি রোহিঙ্গা নির্যাতন: আইসিসি’র অনুমতি পেলে তদন্তে নামবে দল ক্রিকইনফোর একাদশেও সাকিব, নেই কোহলি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মিন্নি জেলা হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করার নির্দেশ জঙ্গি-চরমপন্থীদের আবির্ভাব যেন না হয়: ডিসিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাছ উৎপাদনে আমরা প্রথম হতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ রিশান ফরাজী গ্রেফতার ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের স্বজনদের হজ করাবে সৌদি

রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

১২১৬

পান বিক্রি করে ছেলেকে কনস্টেবল বানালেন মা

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

আট বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন যশোরের মনিরামপুরের কদমবাড়িয়া গ্রামের শিউলি বেগম। একমাত্র ছেলেকে নিয়েই স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। এবার স্বি স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। ১০৩ টাকায় কনস্টেবল হয়ে বিধবা মায়ের মুখে হাসি ফোটালেন মনিরুল ইসলাম।

যশোরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাওয়া ১৯৩ জনের মধ্যে মনিরুল একজন। ২৬ জুন এসপি মঈনুল হক চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করেন। সে তালিকায় ৮৬ নাম্বার নামটি মনিরুল ইসলামের।

শিউলি বেগম বলেন, আট বছর আগে গাছ কাটতে গিয়ে তার স্বামী রফিকুল ইসলাম মারা যান। তখন মনিরুল চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। অনেক কষ্টে ছেলেকে মানুষ করেছি। গ্রামবাসী ও ভাইয়েরা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। স্বামীর ছোট একটা পান দোকান ছিলো। সেই দোকানের আয় দিয়েই মনিরুলকে এইচএসসি পাস করিয়েছি। স্বপ্ন ছিলো, ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখবো। আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

 

 

মনিরুল ইসলাম বলেন, পড়াসোনার ফাঁকে মায়ের সঙ্গে দোকানে বসতাম। মাঝেমধ্যে মাছ ধরে বিক্রি করতাম, রাজমিস্ত্রীর হেলপার হিসেবেও কাজ করেছি। তবুও হাল ছাড়িনি। আজ মায়ের মুখে হাসি ফোঁটাতে পেরে আমি অনেক খুশি।
 
শিউলি বেগম আরো বলেন, আমার ছেলেটা বিনা টাকায় পুলিশে চাকরি পাইছে তাতে আমি মহা খুশি। এসপি স্যার ছেলেটারে চাকরি দেছে। তার জন্নি আমি প্রাণ ভরে দোয়া করি। তার হাত দিয়ে যেন আমার মত দুঃখিনী মায়েদের আশা পূরণ হয়।

ইউপি সদস্য তাইজুল ইসলাম মিলন বলেন, মনিরুল ভালো ছেলে, ছাত্র হিসেবেও মেধাবী। তার পড়াশোনার জন্য আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। সে চাকরি পাওয়ায় গ্রামের সবাই খুশি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর