ব্রেকিং:
এমপিওভুক্তি: অগ্রাধিকার পাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেমিকেল টেস্টিং ইউনিট বসাতে সময় পেল এনবিআর প্রণোদনায় বাড়ছে রেমিট্যান্স একনেকে ৪৬৩৬ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন রাস্তায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: প্রধানমন্ত্রী গুজবে কান না দিতে পুলিশের অনুরোধ মহাসড়কে অ্যালকোহল ডিটেক্টর চালু জালের সাথে মানুষের শত্রুতা! চট্রগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেয়ালের মাংসকে খাসির মাংস বলে বিক্রি, অতঃপর... `সকলের জন্য উন্নত স্যানিটেশন, নিশ্চিত হোক সুস্থ জীবন` নৈরাজ্য তৈরির জন্যই ভোলায় সংঘর্ষ স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে মামলা দায়ের সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান আটক বয়স বাড়িয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে, কারাগারে প্রেমিক প্রভাবশালীর দাপটে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায় দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্লেড দিয়ে কেটে স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সহজ মন্ত্র প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

৬৪৩

নেত্রকোনার পাঁচ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০১৯  

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার পলাতক পাঁচ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

মোট সাত রাজাকারের মধ্যে আব্দুর রহমান (৭০) ও আহাম্মদ আলী (৭৮) গ্রেফতারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থায় মারা যান। বাকি পাঁচ পলাতক রাজাকাররা হলেন- শেখ মো. আব্দুল মজিদ ওরফে মজিদ মওলানা (৬৬), মো. আব্দুল খালেক তালুকদার (৬৭), মো. কবির খান (৭০), আব্দুস সালাম বেগ (৬৮) ও নুরউদ্দিন ওরফে রদ্দিন (৭০)।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়। 

এরমধ্যে রয়েছে আটজন নিরীহ মানুষকে অপহরণের পর হত্যা, তিনটি বাড়ির মালামাল লুট, আটটি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও একজনকে ধর্ষণের অভিযোগ।

২০১৬ সালের ২২ মে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউশন। তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক সানাউল হক জানান, মজিদ মওলানা মুক্তিযুদ্ধের সময় নেজামে ইসলামির নেতা হিসেবে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।  

খালেক তালুকদার একাত্তরে মুসলিম লীগের কর্মী হিসেবে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। পরবর্তীতে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে তিনি পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

এছাড়া কবির খান মুসলিম লীগের কর্মী হিসেবে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন, বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সদস্য। আব্দুর রহমান, আব্দুস সালাম বেগ ও নুর উদ্দিনও মুক্তিযুদ্ধের সময় মুসলিম লীগের কর্মী হিসেবে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন, বতর্মানে তারা বিএনপির সমর্থক।

আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট দুপুর ১টায় রাজাকার বাহিনী নিয়ে বাড়হা গ্রামের আব্দুল খালেককে গুলি করে হত্যার পর কংস নদীর পানিতে মরদেহ ভাসিয়ে দেয়ার অভিযোগে মামলা হয় ২০১৩ সালে। শহীদ আব্দুল খালেকের ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা আ. কাদির মামলাটি করেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর