ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • শনিবার   ০৬ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

৭৩

নেই খেলার সরঞ্জাম, আছে ক্যাসিনো!

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

যে কোনো খেলার আতুর ঘর বলা হয় ক্লাবকে। খেলোয়াড় তৈরি, প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে সেই খেলোয়াড়কে বড় মঞ্চে তুলে আনা সবকিছুর শুরু হয় একটি ক্লাব থেকে।

অথচ বাংলাদেশের ক্লাবগুলো মান সম্পন্ন খেলোয়াড় তুলে আনা তো দূরের কথা, ঠিকমতো খেলা চালাতেই হিমশিম খায়। অবকাঠামোগত উন্নয়নের বদলে জীর্ণ ও ভগ্নদশায় চলছে ক্লাবগুলো, নেই কোনো জৌলুস। 

সম্প্রতি পরিচালিত অভিযানে যেনো এর পেছনের কারণটিই বেরিয়ে এসেছে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ক্লাবগুলোতে খেলার সরঞ্জামের পরিবর্তে আছে ক্যাসিনোর বোর্ড! যেখানে থাকার কথা ক্রিকেটের ব্যাট-বল, ফুটবল, হকির মতো অবকাঠামো। সেখানে গড়ে উঠেছে মাদক আর জুয়ার উৎসাহব্যাঞ্জক ক্যাসিনো। এর থেকে আসা টাকা দিয়ে পেট ভরছে বড় কর্তাদের। কিন্তু ক্লাবের কোনো লাভে আসেছে এই টাকা। উল্টো বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম আর দুর্নীতির আখরায় পরিণত হয়েছে এক একটি ক্লাব।

 

 

একসময় দেশের প্রতিটা ইভেন্টে ক্লাবগুলোর প্রতিযোগিতায় মুখরিত ছিল ক্রীড়াঙ্গন। ক্রিকেটের আগে ফুটবল, হকি সহ নানা খেলার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আবহ ছিল ক্রীড়াপ্রেমীদের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। সকাল বিকাল ক্লাবগুলোতে চলতো অনুশীলন। 

কিন্তু সে দিন পাল্টে গিয়েছে আগেই। এখন মাঠের বদলে মাঠের বাইরের চাল নিয়েই বেশি ব্যস্ত ক্লাব কর্তারা। প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়ানোর জন্য অন্যপথে পা বাড়াতে আগ্রহী সবাই। আর তারই ফলস্বরূপ ক্লাবগুলোর ভেতর ঢুকে পড়েছে ক্যাসিনো নামের অভিশাপ।  

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের পরেই মূলত বেরিয়ে আসে পেছনের এ কালো জগতের কথা। কলাবাগান ক্লাবের পর ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান ক্লাব থেকেও পাওয়া যায় ক্যাসিনোর আলামত। অথচ ক্যাসিনোর বদলে সেখানে ক্রীড়া সরঞ্জামাদি দিয়ে ভরপুর থাকার কথা ছিল। এ থেকেই দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে ক্লাবগুলোর দৈন্যতার কারণ বোঝা যায়। 

 

 

ক্যাসিনোতে নিয়মিত বসে জুয়ার আড্ডা। চলে টাকার খেলা। এসবে ব্যস্ত সময় পার করেন ক্লাব কর্তারা। ফলে কোথায় কি করলে ক্লাবের উন্নতি হবে, কিভাবে আরো ভালো খেলোয়াড় তৈরি করা যাবে এসব চিন্তার বদলে ঠাঁই পায় জুয়ার বোর্ড থেকে কিভাবে আয় বাড়ানো যায়। 

ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনোর বদলে কিভাবে খেলার সরঞ্জাম বাড়ানো যায়, দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি সহ কি করে খেলার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ানো যায় সে দিকেই নজর দিতে হবে। 

খেলার মান কিভাবে বাড়ানো যায় এজন্য চিন্তা করার এখনই উপযুক্ত সময়। দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ক্যাসিনো নামক কালো থাবার হাত থেকে মুক্ত করে ঢেলে সাজানো সময়ের দাবি। 

কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে?

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
খেলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর