ব্রেকিং:
একনেকে ৫ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ব্যাংক কর্মকর্তাকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বেশির ভাগ দুধেই সিসা: হাইকোর্টে বিএসটিআইয়ের রিপোর্ট বিশ্বকাপ শেষেও বিশ্বসেরা ওয়ানডে অলরাউন্ডারের মসনদে সাকিব বসানো হবে বজ্রপাত নিরোধক টাওয়ার বউয়ের তালাক নোটিশ পেয়ে খুশিতে দুধ দিয়ে গোসল করলেন স্বামী শান্তিরক্ষা মিশনে বঙ্গবন্ধুর নামে সম্মেলন কক্ষ আসল নয়, বিশ্বকাপজয়ীদের রেপ্লিকা ট্রফি দেয়া হয়! গাড়িতে ‘পুলিশ’ স্টিকার লাগিয়ে প্রতারণা করতেন কবির হোসেন এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার রাজধানীতে চালু হচ্ছে শাটল ট্রেন ট্রেনের ধাক্কায় বর-বধূসহ নিহত ১০ ৫০ বছর ধরে ‘আল্লাহু’ লেখা কাগজ সংরক্ষণ করছেন আবু জাকারিয়া জন্মভিটাতে ফেরা হলো না এরশাদের রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল একাদশে ভর্তিকৃতদের রেজিস্ট্রেশন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে শিগগিরই কোচিং-নোটবই বন্ধ হচ্ছে! ‘অপরিকল্পিত শিল্প এলাকায় বিদ্যুৎ-গ্যাস নয়’ স্কুল টিভি চালুর পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি চাকরিজীবী ও বস্তিবাসীরাও ফ্ল্যাট পাবে: প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ১ ১৪২৬   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

৫২২

দুর্বল অর্থনীতির উদ্বেগ নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দফা

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৯  

টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী অথবা অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতির মূল উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে চীনের দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর সভায় ‘কো-অপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনায় এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা মাঝেমধ্যে শুধু কয়েকটি বৃহৎ অর্থনীতির সক্ষমতা অথবা তাদের প্রয়োজনের আঙ্গিকেই সবকিছু দেখি। কিন্তু টেকসই বিশ্বের জন্য আমাদেরকে অবশ্যই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীসমূহের অথবা অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতিগুলোর মূল উদ্বেগ নিরসনের উপায়ও বের করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচ দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আমাকে বলছে, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ও দুর্বল অর্থনীতিকে মাথায় রেখেই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এগুলো হচ্ছে- প্রথমত : দেশগুলোর মধ্যে পারস্পারিক শান্তি-সম্প্রীতি স্থিতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টি।
দ্বিতীয়ত: টেকসই উন্নয়নের সব দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
তৃতীয়ত: দেশগুলোর পারস্পারিক স্বার্থে বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
চতুর্থত: সবার জন্য সম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে।
পঞ্চমত: প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয় সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন করা ছিল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ইস্যু। তিনি বলেন, আমরা পারস্পারিক সমঝোতার ভিত্তিতে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত করেছি এবং এখন বাংলাদেশ ও ভারত আন্তঃসীমান্ত নৌপথ উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়তনের দিক দিয়ে ভারতের চেয়ে অনেক ছোট হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন ও যোগাযোগের মাধ্যমে এর ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। 

তিনি বলেন, একটি নীতিভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। ভূ-রাজনীতি সবসময়ই জীবনের একটি অংশ। তবে আমাদের সতর্কতার সঙ্গে ইস্যুগুলোকে মূল্যায়ন করে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। স্বল্প সময়ের অর্জনের জন্য দীর্ঘদিনের স্বার্থকে বিসর্জন দিতে পারি না। শেখ হাসিনা বলেন, সব দেশের মধ্যে অভিন্ন সমৃদ্ধি নিশ্চিতে এখনো প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল অঞ্চল বলে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। একইভাবে, বঙ্গোপসাগর একটি উদীয়মান ও সমৃদ্ধ অঞ্চল। এই অঞ্চলে ১.৫ বিলিয়ন লোকের বাস। 

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের আশপাশে বসবাসকারী মানুষের উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলটিকে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর