ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

২৬৮৭

দুই নেতার বিতর্কিত মন্তব্য

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

নৌকা বিরোধীদের পদ না দেয়া, বিদ্রোহী প্রার্থীদের দল থেকে বহিস্কারের বিষয়ে আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকদের পদক্ষেপের সমালোচনা করে দু-দিন আগে ফেসবুকে লাইভ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদে দলের বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফিরাজুর রহমান ওলিও।

এতে তিনি বলেন- ‘অনেকেই বলতেছে, আওয়ামীলীগের যে কমিটি হবে সারা দেশে যারা নৌকার বিরুদ্ধে গেছে তাদের বাদ দিয়ে দিবে। কিন্তু যারা নৌকার বিরুদ্ধে মেইন তাদের কিছু বলে না, বলে নিরীহ লোকজনকে । যারা বিদ্রোহ করেছে তারা বিজয় লাভ করছে। তাদের সিদ্ধান্তই সঠিক। লোকজন নৌকার বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি, ব্যাক্তির বিরুদ্ধে দিয়েছে। তাহলে যারা পাশ করছে তাদের বাদ দেবেন কেন? যারা ক্ষমতায় বসেও ফেইল করেছে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। আপনারা বলেন, বিদ্রোহীদের আপনারা বরখাস্ত করবেন। এগুলো করে আপনারা আমাদের প্রাণ প্রিয় দলকে নষ্ট করতেছেন। যারা বিদ্রোহী হয়ে পাশ করেছে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক। তাহলে আপনারা বড় বড় পদে বসে সঠিক সিদ্ধান্তটা নিতে পারেননি কেন? যারা ক্ষমতায় থেকেও ফেল করেছেন তারা পদত‌্যাগ করে আপনাদের ভাষায় বিদ্রোহীদের ক্ষমতায় বসান।’

শনিবার পৌর আওয়ামীলীগের সম্মেলনে ওলিও’র এই বক্তব্যের জবাব দেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি বলেন, জেলা আওয়ামীলীগ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নের জন্যে ৩ জনের নাম সুপারিশ করেছিলো। কেন্দ্র থেকে ৩ নম্বরে যার নাম ছিলো তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়। দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা নির্বাচন করেছি। ফিরোজুর রহমান সেই নির্বাচনে অংশ নেন। তার নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিয়ে আমাদের কোন বক্তব্য নেই। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে কোন বক্তব্য দেইনি। কারন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের এই মনোনয়নের অঙ্গীকার যারা রক্ষা করেনি তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি (ওলিও) আরো বলেছেন, দলের প্রার্থী যারা মনোনয়ন দিয়েছে সেই প্রার্থীর পরাজয়ের দায় নিয়ে যারা পদে আছেন তাদেরকে পদত্যাগ করতে হবে।

আল মামুন সরকার প্রশ্ন রেখে বলেন- উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনয়ন দিয়েছেন আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন পার্লামেন্টারী বোর্ড। তাহলে ওলিও কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাইছেন সেই প্রশ্ন আমার।

তিনি ওলিওকে এব্যাপারে হোশিয়ার করে বলেন- এধরনের অসাংবিধানিক বক্তব্য দেয়া হলে ভবিষৎতে তার বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামীলীগ সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রে প্রেরন করবে।

উপজেলা নির্বাচনে জেলা,শহর ও উপজেলা আওয়ামীলীগের অনেক নেতা ওলিওর পক্ষে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চলতি সম্মেলনে তার সমর্থক ওইসব নেতাদের পদ হারানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় তাদের পক্ষ নিয়ে ফেসবুকে ওই লাইভটি করেন ওলিও।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর