ব্রেকিং:
শিশু মৃত্যু ৬৩ শতাংশ কমিয়েছে বাংলাদেশ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৩১ ব্যাংকের বুথ বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রেষ্ঠ আশুগঞ্জের ইউএনও বিজয়নগরে ট্রাক্টর চাপায় শিশু নিহত শাহ মোহাম্মদ শামছুল আলম আর নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল যেনো ভূতের আখড়া! ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা....... নবীনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মিনহাজ, সম্পাদক জয় ২০ লাখ পাসপোর্ট কেনার প্রস্তাব অনুমোদন থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘালয়ে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, শিলংয়ে কারফিউ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত: আইসিজে প্রেসিডেন্ট রঙিন চেয়ারে বসিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা কার্ড জালিয়াতি করে ভাতা উত্তোলন, অতঃপর... ফেন্সিডিল-স্কফ ও ইয়াবাসহ নারী ব্যবসায়ী আটক উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজি ও হুমকি, ঠিকাদারদের নিন্দা ‘সত্য মিথ্যা যাচাই আগে,ইন্টারনেটে শেয়ার পরে’ পিএর বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ আধুনিক ও আদর্শ পৌরসভা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

৫৬৫

দিপা হত্যার রহস্য উদঘাটন

প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স পড়ুয়া ছাত্রী গৃহবধূ দিপা দেবনাথ হত্যা মামলাটি বিশেষ গুরুত্বসহকারে দেখছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নিহত দিপার স্বামী অপূর্ব রায়, শ্বাশুড়ি প্রতিমা রায়, ননদ মমী রায় ও ননদের স্বামী অপূর্ব রায় অপুকে গ্রেফতারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. তারেক সুমন এক সাক্ষাতকারে এ প্রতিবেদককে এসব কথা জানান। এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ একাধিকস্থানে অভিযানও চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে দিপাকে হারিয়ে তার স্কুল শিক্ষিকা শোকাহত মা জয়ন্তী রাণী দেবনাথ এখন বাকরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। একমাত্র মেয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকে কাতর দিপার চিকিৎসক বাবা পরিতোষ দেবনাথ।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে যৌতুকের দাবিতে স্বামী, শ্বাশুড়ি, ননদ ও ননদের স্বামী গৃহবধূ দিপাকে বেধড়ক মারপিট করে। একপর্যায়ে তারা দিপার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দিপাকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এনে ফেলে রেখে তারা গাঢাকা দেয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণার পর পুলিশ ডেকে দিপার মৃতদেহ হাসপাতাল মর্গে রেখে দেয়। খবর পেয়ে নিহতের পরিবার এসে পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ তারা গ্রহণ করে নিয়ে যায়। পরে দিপার বাবা পরিতোষ দেবনাথ বাদী হয়ে ৯ নভেম্বর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে পরিবার সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় দিপা ও অপূর্ব রায়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রয়ারি পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। দিপা ও অপূর্ব রায়ের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার উছমানপুর গ্রামে। বিয়ের পর অপূর্ব স্ত্রী দিপাকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়ায় ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়া থাকতো। তাদের সঙ্গে অপূর্ব’র মা প্রতিমা রায়ও থাকতেন। এখানে অপূর্ব একটি সিমেন্ট কোম্পানির বিক্রয় ম্যানেজার হিসেবে চাকুরি করতেন।

দিপার মামা সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকার বাসিন্দা সুভাষ দেবনাথ জানান, বিয়ের পর থেকেই অপূর্ব ব্যবসা করার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করে আসছিল। এনিয়ে দিপাকে তারা ভীষণ চাপ দিতো। তারা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে দিপাকে হত্যার পর লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়। মেয়ের শোকে আমার বোন জয়ন্তী বাকরুদ্ধ, এখন তাকে বাঁচানোই দায় হয়ে পড়েছে। আমরা দিপা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর