ব্রেকিং:
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ; ৯৯৯-এ ফোন করে শাহান মিয়া বাঁচালো ৩০০ প্রাণ সততার পুরস্কার পেলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ১৫ কর্মকর্তা দুদক কার্যালয়েই হবে দুর্নীতির মামলা ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে হজ পালনের ব্যয় কম দিনের আলোয় বৃদ্ধার টাকা ভুল হাতে দিলো ব্যাংক ‘হার কিসি কো, নেহি মিলতা’ গেয়েই গোল্ডেন গিটার মিললো নোবেলের প্রথম দিনে বৈধ হ‌লো ২৫ কোটি টাকার স্বর্ণ ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ক্রিকেটানুরাগীদের আওয়ামী লীগই দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণে হাইকোর্টের রায়ই বহাল

বুধবার   ২৬ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৩ ১৪২৬   ২২ শাওয়াল ১৪৪০

২২৭

দাদের কারণ ও লক্ষণ

প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

দাদ এক ধরণের চর্ম রোগ। শরীরের যেকোনো অংশে গোল চাকতির মতো গুঁড়ি গুঁড়ি ওঠে, অনেক চুলকায় ও লাল হয়ে যায়। একে দাদ বলা হয়। দাদ কেন হয়? দাদ এক ধরণের ছত্রাকের কারণ। এটা সক্রমণ রোগ। মূলত অপরিষ্কার স্থানগুলোতে এটি হয়ে থাকে। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতে ছত্রাকের জন্ম হয়। অপরিষ্কার, একই কাপড় অনেক দিন ব্যবহার করা, না ধোঁয়া, নোংরা কাপড় ব্যবহার, সংক্রামণ রোগীর জামা কাপড় ব্যবহার করার ফলে দাদ হয়ে থাকে। আবার ছত্রাক আক্রান্ত রোগীর গামছা ব্যবহারেও দাদ রোগ হতে পারে।

 

 

দাদের লক্ষণ: চামড়ার ওপরে গোল একটা ক্ষত তৈরি হয়, সে ক্ষত যদি আস্তে আস্তে বাড়ে ও ভেতরের অংশ শুকিয়ে যায় আর বাইরের অংশ বাড়তে থাকে। বাইরের অংশ ফুসকুড়ির মতো হয়ে থাকে, কখনো জলপূর্ণ হয় আবার কখনো পুঁজ হয়ে থাকে। তখন এ জায়গায় প্রচুর চুলকাবে ও খুসকির মতো চামড়া উঠবে। তবে বুঝতে হবে দাদ হয়েছে। আর মাথায় যদি দাদ হয়ে থাকে তবে সে স্থানের চুল পড়ে যাবে। কোমড়ের কোথাও দাদ হলে সে স্থানের চামড়া পুরু হয়ে যাবে। আর নখে যদি দাদ হয় তবে নখ ভেঙে যাবে ও অসুস্থ হয়ে যাবে। আবার দাদের স্থান চুলকালে পানির ন্যায় বের হবে। এসব লক্ষণগুলো দেখলেই দাদ হয়েছে বুঝতে পারবেন।

 

 

প্রতিকার: দাদ যে স্থানে হবে সে জায়গা সব সময় শুকনো রাখতে হবে। সাবান বা তেল ঐ জায়গাতে ব্যবহার করা যাবে না। জায়গাটা খোলা রাখতে হবে। পোশাক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এক দিন পর পর ধুঁয়ে নিতে হবে। হালকা গরম পানি নিয়ে এর মধ্যে সাবান ভিজিয়ে জামা কাপড় পরিষ্কার করে নিতে হবে। তা না হলে দাদ আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়বে। যা শরীরের জন্য খুবই কষ্টকর। তবে বেশি সমস্যা মনে হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। দাদ যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। নিজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে ও ঘর বাড়িও পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস ঢুকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। তাহলে এ ধরণের ছত্রাকজনিত রোগের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর