ব্রেকিং:
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পরিবহন ধর্মঘট,পণ্যের দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা! মাদকসহ দুই ব্যবসায়ী আটক গৃহবধূর মৃত্যুতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক মানব কল্যান সংঘঠনের উদ্যোগে শীতবন্ত্র বিতরণ ফেসবুক স্ট্যাটাসে ধরা পড়লো প্রতারক দম্পতি! বিদ্যালয়ের মাঠে গণ-কবরের স্মৃতি অনির্বাণ উদ্বোধন ট্রেনের ধাক্কা থেকে অল্পের জন্যে রক্ষা পেল অটোরিকশা তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্কুলছাত্র আটক ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিবাদ করা যাবে না জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পথচারী ও যাত্রীরা গাঁজার বস্তায় ঘুমিয়ে পড়ল মাদকাসক্ত যুবক! দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন মোটরসাইকেল নিয়ে ফেঁসে গেলেন এসআই সাজেকে চান্দের গাড়ির ভাড়া নির্ধারণ দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মা সেতুর আড়াই কিলোমিটার বেড়েছে ডলারের দাম ফোনের স্টোরেজ বাড়াবেন যেভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য নেদারল্যান্ডের ৩৯ লাখ পাউন্ড অনুদান ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম কাঁচা মরিচ! র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে হাইকোর্টে তলব

বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৪৯

দফায় দফায় সংঘর্ষে অশান্ত বিজয়নগর!

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০১৯  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুল্লা-হাজীপুরসহ অন্তত পাঁচটি গ্রাম জলমহালের মালিকানা নিয়ে অশান্ত হয়ে উঠছে।গত ২ ও ৩ অক্টোবর বিলে বাঁধ নির্মাণ ও মাছ ধরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষে কামালপুর গ্রামের অন্তত ৩০টি বসত ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় বাড়িঘর লুটপাট করা হয়। সংর্ঘষে  উভয় পক্ষের অন্তত ২৫/৩০ জন আহত হয়েছে। উত্তেজনা থেকে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েনসহ  অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। সার্বক্ষণিক পুলিশ টহলে রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুল্লা গ্রামের ‘বড় উঠান সমবায় সমিতি’র নামে চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর হুগলী জলমহালের ইজারা পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ দাস। কিন্তু জলমহালের সীমানা নির্ধারণ না হওয়ায় পাশের গ্রাম হাজিপুর, আতরাপাড়া, পাইকপাড়া গ্রামের লোকজন বিলের একাংশ নিজেদের দাবি করে  মাছ ধরার জন্যে বাঁধ নির্মাণ করে। এতে বুল্লা গ্রামের ইজারাদাররা ক্ষুব্দ হয়ে বাঁধা দেন। কিন্তু বাঁধা না মানায় ইজারাদারদের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে হাজীপুর, আতরাপাড়া ও পাইকপাড়া গ্রামের লোকজনকে ধাওয়া করে। পরে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যদিয়ে গত দুইদিন ধরে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে দুই গ্রামের মধ্যবর্তী কামালপুর গ্রামের অন্তত ৩০টি বসত ঘর পুড়িয়ে দেয় দুবৃর্ত্তরা। বুল্লা গ্রামের ইজারাদারদের পক্ষে আবু তাহের মিয়া বলেন,  ‘আমরা বড় উঠান সমবায় সমিতির নামে বিল ইজারা এনেছি । কিন্তু হাজিপুর, আতরা পাড়া ও পাইকপাড়ার লোকজন আমাদের ইজারাকৃত বিলে জোর করে মাছ ধরার জন্যে বাঁধ নির্মাণ করে। আমরা এতে বাঁধা দিলে তারা আমাদের লোকজনকে সংঘ বদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করে।

অন্যদিকে বিলের জায়গা ব্যক্তি মালিকানার দাবি করে হাজিপুর গ্রামের মো. দানু মিয়া, জাকির মিয়া জানান, হুগলি বিলের নিদিষ্ট কোনও সীমানা নির্ধারণ করেনি প্রশাসন। আমরা আমাদের জায়গায় মাছ ধরার জন্যে প্রস্ততি নেই। কিন্তু বুল্লার লোকজন আমাদের গ্রামের লোকজনের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা করে। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই। কামালপুর গ্রামের জোৎস্না আক্তার ও শরিফা বলেন, কোনও কারণ ছাড়াই দাঙ্গাবাজরা আমাদের ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। হামলাকারীরা চোখের সামনেই সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। আমরা এঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বলেন, বর্তমানে পরিস্হিতি শান্ত রয়েছে। সার্বক্ষণিক পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। যাদের বাড়িঘর পুড়া হয়েছে, তারা আসলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে। ইতিমর্ধ্যে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১২শ’ থেকে ১৩শ লোককে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বার বার যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য স্হায়ী সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর