ব্রেকিং:
নবীনগর আসনে তৃনমূলে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ বাঁশের সাঁকোই ভরসা তাদের নবীনগর পৌরসভায় ৯০ প্রার্থীর ২১ জনের মনোনয়ন বাতিল! পণ্যসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নাসিরনগরে বার্ষিক পরিকল্পনা প্রনয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত কসবা বর্ডার বাজারে ক্রেতাদের ভিড়-টিকেট সংখ্যা বৃদ্ধির দাবী মটোরসাইকেল দূর্ঘটনায় রেফাতুল ইসলাম উদয় এর অকাল মৃত্যু সরাইলে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে সরাইল সদর ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন বিজয়নগরে গণধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিক মো:বাহারুল ইসলাম মোল্লাকে শুভেচ্ছা পাকিস্তানের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়া স্লোগান জয় বাংলার ইতিহাস বিজয়নগরে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত নবীনগরে শিশু ফাতেমার খুনি ধর্ষকের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন গুরুদাসপুরে বিনামূল্যে অপারেশন বারের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের এমসিকিউ দিতে হবে না প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া রেজওয়ান বস্ত্রখাতের রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ডিসি কাণ্ডে কঠোর অবস্থানে সরকার মন্ত্রীর ব্যানার ছিটকে পড়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার তরুণীর মৃত্যু

মঙ্গলবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৭ মুহররম ১৪৪১

৫৯৮

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০১৯  

চলতি অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিতে দক্ষিণ এশিয়ায় দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকবে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ করেছে। কিন্তু প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ, যা আইএমএফের চেয়ে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কম। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত আইএমএফের ‘সাউথ এশিয়ান আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য ওঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছর ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে ভারত। দেশটিতে গত অর্থবছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ। নেপাল ও ভুটানে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ করে, মালদ্বীপে ৬ শতাংশ, শ্রীলংকায় ৪ শতাংশ, আফগানিস্তানে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ করেছে আইএমএফ। এ অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে কম ২ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আইএমএফ বলেছে, স্বল্পমেয়াদে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও, আগের প্রবৃদ্ধির ধারা সামনের দিনগুলোতে বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে। এজন্য বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি, প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল উন্নত করতে হবে।

সংস্থাটি গত অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলনেও সংশোধন এনেছে। এপ্রিলে আইএমএফ ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে জানায়। এখন সংস্থাটি বলছে গত অর্থবছর ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ও সংশ্লিষ্ট রাজস্ব খাতের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ কমানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এজন্য ব্যাপক, বিশ্বাসযোগ্য ও নির্দিষ্ট সময়ের কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে।

এছাড়া বাংলাদেশের তিনটি খাতে সংস্কারকে প্রাধান্য দিয়েছে আইএমএফ। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক খাতের ক্রমাগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা। সামাজিক চাহিদা, অবকাঠামো ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিগ্রস্তদের গুরুত্ব দেয়া। সুশাসনের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়ন করে অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ করা।

ব্যাংক খাত নিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ খাতে সম্পদের নিবিড় মূল্যায়ন করে মানদণ্ড শক্তিশালী করতে হবে। ঋণ পুনঃতফসিল ও ঋণ পুনর্গঠনের ব্যবহার কম করতে হবে।

প্রতিবেদনে বাজেট ঘাটতি পূরণে রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে আইএমএফ। নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর করাকে স্বাগত জানালেও ভ্যাট হার সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ নিয়ে আইএমএফের এ পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের সমান। অন্যদিকে এডিবি তাদের সম্প্রতি প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। যদিও বিবিএসের সাময়িক হিসাবে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনকে ২০১৯ এবং ২০২০ সালে ফের পেছনে ফেলে দিতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতকে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতির চাকায় গতি ধরে রাখতে অনুৎপাদক সম্পদ ছাঁটাই, রাজস্ব ঘাটতিতে রাশ টানা, ভর্তুকি কমানো, সংস্কার অব্যাহত রাখার মতো বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছে আইএমএফ।

সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি ও আগামী অর্থবছরে ভারতের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ- যা চীনের তুলনায় (৬ দশমিক ৩ ও ৬ দশমিক ১ শতাংশ) খানিকটা বেশি। তবে আগের পূর্বাভাসের চেয়ে কম। যদিও আইএমএফের মতে, প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সবার আগে জোর দিতে হবে ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপর।

সংস্কারে গতি কমতে দেয়া যাবে না। রাজস্ব ঘাটতিতে রাশ টানা জরুরি। জিএসটির জাল আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন। দরকার ভর্তুকি কমানোও। আরও কঠোরভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক পরিচালনার মাধ্যমে কমাতে হবে অনুৎপাদক সম্পদের বোঝা। অবকাঠামো প্রকল্পে জমি পাওয়ার পথও প্রশস্ত করতে হবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর